লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের গন্ধব্যপুর এলাকার এহ্ইয়াউল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার এক আবাসিক ছাত্রকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাওলানা ইব্রাহিম নামে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর অভিযুক্ত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ছেলে মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তিনি পলাতক রয়েছেন।
গতকাল শনিবার শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে মাদ্রাসা থেকে মাওলানা ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ রোববার চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী মো. নোমানের (ছদ্মনাম) (৯) সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা জানান, ছেলেকে পবিত্র কোরআনের হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে তিনি মাদ্রাসাটির আবাসিক বিভাগে ভর্তি করেছিলেন। ইতোমধ্যে তার ছেলে কোরআনের চার পারা হিফজ সম্পন্ন করেছে। তবে দুই ব্যক্তি তার ছেলেকে যৌন নিপীড়নের কথা জানায় তার ছেলে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব বলেন, ‘যৌন-নিপীড়নের অভিযোগে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এরপর অভিযুক্ত মাওলানা ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।’
