বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড ব্রেড অ্যান্ড বান ডে উদযাপন
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উদযাপন করা হলো ওয়ার্ল্ড ব্রেড অ্যান্ড বান ডে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকার গুলশানে অবস্থিত সুভাস্তু হেনা স্কাইলাইনের, দ্য গ্র্যান্ডিয়র-এ দেশের অন্যতম জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান আকিজ বেকার্স লিমিটেড তাদের ফাস্ট ব্রেড অ্যান্ড বান নামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলা এই বর্ণিল উৎসবে অংশ নেন দেশের অসংখ্য ব্রেড ও বান প্রেমীরা।
আরও পড়ুন
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল আগত অতিথিদের জন্য একটি বিশেষ লাইভ স্যান্ডউইচ ক্রিয়েশন স্টেশন। যেখানে অনেক ধরনের ভিন্ন স্বাদের প্রিমিয়াম উপকরণ রাখা হয়। দর্শনার্থীরা নিজেদের পছন্দমতো উপকরণ দিয়ে নিজস্ব রেসিপিতে স্যান্ডউইচ তৈরি করার এই ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা উপভোগ করেন। আগত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে একটি জায়ান্ট আকৃতির বান কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন আকিজ বেকার্স লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শেখ জামিল উদ্দিন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে ফাস্ট ব্রেড অ্যান্ড বান-ই প্রথম ব্র্যান্ড হিসেবে এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করার গৌরব অর্জন করল। আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবনে ব্রেড অ্যান্ড বান-এর সম্পৃক্ততা ও পুষ্টির গুরুত্ব তুলে ধরতেই তাদের এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগ, যা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আকিজ বেকার্স লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শেখ জামিল উদ্দিন সহ, কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
মৌসুম শুরুর আগেই অনন্য রেকর্ড গড়ল লিলি বডি লোশন
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২২ এএম
আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->শীত আসার আগেই বডি লোশনের বাজারে যেন আগাম হাওয়া। মৌসুমের চাহিদা পুরোপুরি তৈরি হওয়ার আগেই বিক্রি ও সরবরাহ নিয়ে নতুন পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে কোন কোন প্রতিষ্ঠানকে। বিশেষ করে লিলি বডি লোশনের চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রিমার্ক এইচবি লিমিটেড। উন্নত মান ও সাশ্রয়ী দামের কারণে এবারের আসন্ন শীত মৌসুমে লিলি সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া লোশন। কোম্পানির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদনের পর, বাজারে চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে কাঁচামাল সংগ্রহ ও উৎপাদন বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে তারা। মৌসুম শুরুর আগেই এ অনন্য রেকর্ড গড়লো লিলি বিডি লোশন।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, মৌসুমি চাহিদা সামনে রেখে খুচরা দোকান থেকে সুপারশপ সবখানেই বডি লোশনের মজুত ও সরবরাহে গুরুত্ব দিচ্ছেন বিক্রেতারা। রিমার্কের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি মাসে শুধু আধুনিক বিপণনকেন্দ্রগুলোয় সবার আগে বিপুল পরিমাণ লিলি বডি লোশন সরবরাহ করা হয়েছে। যা গেল বছরের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। বিভিন্ন বিক্রয়কেন্দ্রে এ পণ্যের সঙ্গে ‘বাই ওয়ান, গেট ওয়ান ফ্রি’ অফারও দেওয়া হয়েছে। যা ক্রেতার ক্রয় আগ্রহে বাড়িয়েছে বাড়তি মাত্রা।
শীতের প্রস্তুতিতে বডি লোশন কেনার সময় ক্রেতারা শুধু ব্র্যান্ডের নাম নয়, দাম ও ব্যবহারের সুবিধাও বিবেচনায় নিচ্ছেন। রাজধানীর হাতিরপুলের মীনা বাজার থেকে লিলি বডি লোশন কেনা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘শীতের সময় লোশন নিয়মিত ব্যবহার করতে হয়। তাই এমন পণ্য কিনতে চাই, যার মান ভালো এবং দামও সাধ্যের মধ্যে। পরিবারের খরচের কথা বিবেচনা করেই কেনাকাটা করি।’
আরও পড়ুন
একই সুপারশপের ক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘লোশন কেনার আগে কয়েকটি ব্র্যান্ডের দাম ও বৈশিষ্ট্য দেখি। শুধু কম দাম হলেই হয় না, পণ্যটি ব্যবহারের উপযোগী কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। লিলি বডি লোশন আমার পছন্দের মধ্যে রয়েছে।’
মীনা বাজারের হাতিরপুল আউটলেটের ম্যানেজার শোভন হোসেইন বলেন, শীতের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে তাদের আউটলেটে ত্বকের যত্নের পণ্যের নতুন মজুত আনা হয়েছে। লোশনসহ বিভিন্ন স্কিনকেয়ার পণ্য কিনতে ক্রেতারা আসছেন।
তিনি বলেন, ‘শীতের প্রয়োজনীয় পণ্য অনেকেই আগেভাগে কিনছেন। লিলি বডি লোশনের একটি কিনলে একটি ফ্রি অফার ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে বেশ। পণ্যের মান ও ছাড় দুই বিবেচনাতেই লিলি ভালো সাড়া পাচ্ছে। বিক্রির তালিকায় মৌসুর শুরুর আগেই শীর্ষ স্থানে এ লোশন।’
শুধু সুপারশপ নয়, পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতেও শীতের আগাম প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রাজধানীর খিলগাঁওয়ের খুচরা বিক্রেতা মোতালেব হোসেন বলেন, ‘শীত আসার আগেই ক্রেতারা লোশন কেনা শুরু করেছেন। কোন পণ্যের চাহিদা কেমন, তা বিবেচনায় নিয়ে আমাদের মজুত রাখতে হয়। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া গেলে ক্রেতাদের প্রয়োজন মেটানো সহজ হয়। এবার লিলি বডি লোশনের সরবরাহের প্রস্তুতিও বেশ ভালো।’
তার দোকান থেকে লিলি বডি লোশন কিনছিলেন লিমা খন্দকার। তিনি বলেন, ‘আমি নিয়মিত লিলি বডি লোশন ব্যবহার করি। এর সুগন্ধ আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। পাশাপাশি ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখার অনুভূতিও ভালো। পরিবারের অন্য সদস্যরাও এই লোশন ব্যবহার করেন। সব মিলিয়ে এটি আমাদের পরিবারের পছন্দের একটি পণ্য।’
মৌসুমি চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এবার আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়েছে রিমার্ক। প্রতিষ্ঠানটির মডার্ন ট্রেড চ্যানেলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, লিলির পাশাপাশি নিওর ব্র্যান্ডের বডি লোশনও ক্রেতাদের ভাল সাড়া পাচ্ছে। স্বপ্ন, মীনা বাজার, ডেইলি শপিং, বেস্ট বাই, আগোরা, মেট্রো মার্ট ও ইউনিমার্টসহ বিভিন্ন চেইন শপ এবং আধুনিক বিপণনকেন্দ্রে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ ও ডিসপ্লের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে এবার দুই ব্র্যান্ডের লোশন বিক্রিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলতি মৌসুমে লোশন বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা সাত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
লিলি বডি লোশনের চাহিদা ও বিক্রির প্রবণতা সম্পর্কে রিমার্কের ন্যাশনাল সেলস ডিরেক্টর মো. রুবেল বলেন, ‘শীত মৌসুম শুরুর আগেই লিলি বডি লোশন নিয়ে ক্রেতাদের আগ্রহ তুঙ্গে। জাতীয় পর্যায়ের বিক্রয়-তথ্য বিশ্লেষণে এবার বিক্রির সব রেকর্ড ভাঙবে লিলি লোশন। সেজন্য সারাদেশে বিক্রয় পরিকল্পনাও জোরদার করা হচ্ছে।’
অন্যদিকে, উৎপাদন পরিকল্পনা ও সরবরাহের বিষয়ে রিমার্কের পরিচালক কে এম সাদমান সাঈদ বলেন, ‘লিলি বডি লোশন নিয়ে বাজারের সাড়া বিবেচনায় উৎপাদন পরিকল্পনা পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি উৎপাদনের পরও চাহিদা বাড়তে থাকায় নতুন করে কাঁচামাল সংগ্রহ ও উৎপাদন বাড়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পণ্যের মান বজায় রাখা, ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দাম নিশ্চিত করা এবং বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ বজায় রাখাকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।’
ব্যবসা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, শীত মৌসুমে চাহিদা বাড়ার সময় উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রাখা ভোক্তাপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হলে বিক্রয়কেন্দ্রে পণ্যের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, বাজারের চাহিদা বিবেচনা না করে উৎপাদন বাড়ালে মজুত ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরির ঝুঁকি থাকে।
এ পরিস্থিতিতে বাজারের চাহিদা ও বিক্রয়কেন্দ্রের তথ্য বিবেচনায় নিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে রিমার্ক। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, আসন্ন শীত মৌসুমে লিলি বডি লোশনের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করা।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
ইউল্যাব এইচআর সামিট ২০২৬ অনুষ্ঠিত
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, শিক্ষার্থীদের কর্পোরেট জগতের সঙ্গে পরিচিত করা এবং পরিবর্তনশীল চাকরির বাজারের উপযোগী করে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে ইউল্যাব-এ এইচআর সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মোহাম্মদপুরে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাসে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে দেশের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগের প্রধান, শিল্পখাতের প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পেশাজীবীদের সরাসরি মতবিনিময়ের পাশাপাশি ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, দক্ষতা উন্নয়ন, সিভি তৈরি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন
ইউল্যাবের স্কুল অব বিজনেসের আয়োজনে এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যারিয়ার সার্ভিস অফিসের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত ‘প্রফেশনাল সিভি কম্পিটিশন–২০২৬’-এর অংশ হিসেবে সিভি প্রতিযোগিতা, সেরা সিভি পুরস্কার, প্যানেল আলোচনা, ক্যারিয়ারবিষয়ক পরামর্শ এবং সিভি তৈরির কৌশল নিয়ে বিশেষ সেশনের আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় সেরা তিনটি সিভির জন্য পুরস্কার ও সনদ এবং সেরা ১০টি সিভির জন্য ‘সার্টিফিকেট অব এক্সিলেন্স’ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা পরে দেশের করপোরেট খাতের অভিজ্ঞ মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে ‘বাংলাদেশের চাকরির বাজারে এআই বিপ্লবের ফলে পরিবর্তিত শিল্প ও কর্মপরিবেশের সঙ্গে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা কীভাবে নিজেদের প্রস্তুত করবেন’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ইউল্যাব স্কুল অব বিজনেসের বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক ড. এ এফ ওয়াজির আহমদ শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়নের আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ইউল্যাব স্কুল অব বিজনেসের গ্র্যাজুয়েট বিজনেস প্রোগ্রামের পরিচালক ও সিনিয়র লেকচারার ড. মোহাম্মদ তৌহিদ রিয়াজ ধারাবাহিক শেখা, ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন এবং করপোরেট খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি পরিবর্তনশীল চাকরির বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
আলোচনায় অংশ নেন RAK-এর চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন, নগদের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার আনুব্বাব রহমান এবং রেনাটা পিএলসির এইচআর শেয়ার্ড সার্ভিস ম্যানেজার জানশের আল সাবাহ খান। প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন ব্লু কাইট লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার আবু নাসের আমিন উল্লাহ। আলোচনায় পরিবর্তনশীল কর্মবাজারের চাহিদা, নেতৃত্ব বিকাশ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পেশাগত দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের নতুন প্রবণতা নিয়ে মতবিনিময় হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা করপোরেট খাতের প্রতিনিধিদের কাছে নিজেদের বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে ধরার সুযোগ পান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ সেশনে বক্তব্য দেন দারাজের এইচআর ম্যানেজার ফাহাম কবির। ‘সিভি তৈরি ও ক্যারিয়ার উন্নয়নে এআইয়ের ব্যবহার’ শীর্ষক সেশনে প্রযুক্তির সহায়তায় কীভাবে কার্যকর সিভি তৈরি এবং পেশাগত উন্নয়নের পরিকল্পনা করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া বিডিজবস ডটকমের ক্যারিয়ার ইনসাইটস সেশনে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, সিভি উন্নয়ন, চাকরি অনুসন্ধানের কৌশল এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ার সাম্প্রতিক প্রবণতা তুলে ধরা হয়। এসব সেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজার সম্পর্কে বাস্তবধর্মী ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি পেশাগত জীবনের প্রস্তুতি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, বর্তমান সময়ে শুধু একাডেমিক জ্ঞান অর্জনই কর্মজীবনে সফলতার জন্য যথেষ্ট নয়।
এর পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, পেশাগত নৈতিকতা এবং পরিবর্তিত কর্মপরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সামর্থ্য অর্জন জরুরি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের ফলে চাকরির বাজারে যে পরিবর্তন আসছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। তারা আরও মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ এবং সমন্বয় বাড়ানো গেলে শিক্ষার্থীদের শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করা সহজ হবে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পেশাজীবীদের অভিজ্ঞতা থেকে শেখা, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং পেশাগত যোগাযোগের ক্ষেত্র সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
গ্রিনমেট্রিক র্যাঙ্কিংয়ে উত্তরা ইউনিভার্সিটির অর্জন, রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->'ইউআই গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬'-এ সম্মানজনক অবস্থান ৮ম স্থান অর্জন করায় উত্তরা ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরিবেশ সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং সবুজ ক্যাম্পাস নীতি বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়টির নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এই প্রশংসা প্রকাশ করেন।
সম্প্রতি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে উত্তরা ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, উপাচার্য, উপদেষ্টা এবং শিক্ষক প্রতিনিধিদলের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন
সাক্ষাৎকালে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দক্ষ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে গুণগত উচ্চশিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, ‘পরিবর্তিত কর্মসংস্থানের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিরাপদ ও সহায়কমূলক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ সময় তিনি দেশের বর্তমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তরুণদের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।’
বৈঠকে উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন রূপকল্প উপস্থাপন করেন, যেখানে অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা, আন্তর্জাতিকীকরণ ও দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জনাব আবিদ আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সংস্কৃতি জোরদার ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক অগ্রযাত্রার কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি উত্তরা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এম. আজিজুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান পরিবর্তনের প্রশংসা করেন।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘ফার্ম টু ফুড বাংলাদেশ’
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড-এর আয়োজনে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় তিন দিনব্যাপী ‘Farm2Food Bangladesh 2026’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, ডেইরি, মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ, মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচার, কোল্ড চেইন, খাদ্য নিরাপত্তা, স্মার্ট ফুড ম্যানুফ্যাকচারিং এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি খাতের দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানসমূহ এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছে।
অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেছেন বিশেষ অতিথি ইয়োরিস ফান বমেল, রাষ্ট্রদূত, কিংডম অব দ্য নেদারল্যান্ডস দূতাবাস, ঢাকা। শি ঝুও, উপ-পরিচালক, ট্রেড ডেভেলপমেন্ট ব্যুরো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী চীন। ইশতিয়াক আহমেদ, সিনিয়র সহসভাপতি, বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএসএ)। কৃষিবিদ মোহাম্মদ মাসুম, সভাপতি, বাংলাদেশ সিড অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএ)। মো. খোরশেদ আলম, সভাপতি, বাংলাদেশ চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই)। শাইখ সিরাজ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও কৃষি উন্নয়নকর্মী, মো. ফায়জুল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন
‘Farm2Food Bangladesh 2026’ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষি ও খাদ্যভিত্তিক শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং শিল্পের উন্নয়ন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, কোল্ড চেইন ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সহযোগিতা জোরদার করা।
এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের সর্বাধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তি, প্যাকেজিং সমাধান, ডেইরি প্রযুক্তি, মাংস ও জলজসম্পদ প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তি, কোল্ড চেইন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং প্রযুক্তি প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছে।
‘Farm2Food Bangladesh 2026’ একটি আন্তর্জাতিক B2B ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে দেশি-বিদেশি প্রস্তুতকারক, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, পরিবেশক, বিনিয়োগকারী এবং শিল্পখাতের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা একত্রিত হয়ে নতুন ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তি বিনিময় এবং বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবেন।
প্রদর্শনীটি বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য শিল্পের আধুনিকায়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং টেকসই শিল্পোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রদর্শনীটির ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে রয়েছে পোস্টমাস্টার কমিউনিকেশন। প্রদর্শনীটি ১৫ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ব্যবসায়িক দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি/
