মো. সাফাক্যাত লীন
Published : 14 Oct 2026, 01:20 PM
Updated : 14 Oct 2026, 12:08 PM
আমাদের পরিবারে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা জীবনের দীর্ঘ সময় আমাদের জন্য কাজ করেছেন। আমাদের বড় করেছেন, শিখিয়েছেন ভালো-মন্দের পার্থক্য।
তাদের অভিজ্ঞতা, পরিশ্রম ও ত্যাগের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে আমাদের পরিবার ও সমাজ। তারা হলেন আমাদের প্রবীণ সদস্য, যেমন দাদা-দাদি, নানা-নানি কিংবা পরিবারের অন্য বয়োজ্যেষ্ঠরা।
কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক প্রবীণ মানুষ একাকীত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি হন। পরিবারের ছোটরা পড়াশোনা, কাজ কিংবা নিজেদের ব্যস্ততা নিয়ে সময় কাটায়। তখন প্রবীণদের সঙ্গে গল্প করার বা তাঁদের কথা শোনার মানুষ কমে যায়।
কখনো কখনো তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অথচ জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে তারা অনেক কিছু শিখেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের নানা সমস্যার সমাধান খুঁজতে সাহায্য করতে পারে।
আমার মনে হয়, প্রবীণদের প্রতি ভালোবাসা দেখানোর জন্য সব সময় বড় কিছু করার প্রয়োজন নেই। তাদের পাশে বসে গল্প করা, দিনের খবর জানতে চাওয়া কিংবা তাদের পুরোনো দিনের অভিজ্ঞতার কথা মন দিয়ে শোনাও ভালোবাসার প্রকাশ।
প্রবীণদের সুস্থ ও সম্মানজনক জীবনযাপনের জন্য পরিবারের পাশাপাশি সমাজেরও দায়িত্ব রয়েছে। তাদের জন্য সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ, আর্থিক নিরাপত্তা এবং গণপরিবহনে চলাচলের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তাদের যেন অবহেলা বা বৈষম্যের শিকার হতে না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১২। জেলা: লালমনিরহাট।
