আজম খাঁন, বাঘারপাড়া (যশোর) : একদিকে জটিল কিডনি রোগের যন্ত্রণা, অন্যদিকে ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাড়ের কঠিন লড়াই।
জীবন বাঁচাতে সপ্তাহে দুই দিন ডায়ালাইসিস করাতে হয় রাবেয়া খাতুনকে। কিন্তু দিনমজুর স্বামীর সামান্য আয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই চিকিৎসার ব্যয় বহন করা এখন তাঁর পরিবারের জন্য দুঃসহ হয়ে উঠেছে।
তিন সন্তানের এই মাকে বাঁচিয়ে রাখতে তাই সমাজের হৃদয়বান মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছে পরিবারটি।
রাবেয়া খাতুন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জটিল কিডনি রোগে ভুগছেন। জীবন বাঁচানোর আশায় ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে তাঁর ডায়ালাইসিস শুরু হয়। এরপর থেকে নিয়মিত সপ্তাহে দুই দিন তাঁকে এই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
রাবেয়া খাতুনের স্বামী লুৎফর রহমান পেশায় একজন দিনমজুর। প্রতিদিন কাজ পেলে তবেই জোটে সংসারের খাবার। এর মধ্যে স্ত্রীর নিয়মিত ডায়ালাইসিস ও অন্যান্য চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে। একদিকে তিন সন্তানের ভরণপোষণ, অন্যদিকে স্ত্রীর চিকিৎসা—সব মিলিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন লুৎফর রহমান।
প্রিয় মানুষটিকে সুস্থ করে তোলার প্রত্যাশা থাকলেও আর্থিক অসচ্ছলতা সেই পথকে ক্রমেই কঠিন করে তুলছে। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করতে না পারার দুশ্চিন্তা ঘিরে ধরেছে পরিবারটিকে। এ অবস্থায় রাবেয়া খাতুনের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা।
আপনার সামান্য সহায়তাও হতে পারে বেঁচে থাকার অবলম্বন। হয়তো কারও কাছে অল্প কিছু অর্থ, কিন্তু রাবেয়া খাতুনের মতো একজন অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সেই সহায়তাই হয়ে উঠতে পারে অনেক বড় ভরসা। মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিলে তিন সন্তানের এই মায়ের চিকিৎসার পথ কিছুটা সহজ হতে পারে।
আসুন, সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়াই রাবেয়া খাতুনের। অর্থসহায়তার পাশাপাশি তাঁর সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছে পরিবারটি।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা (নগদ)
নাম: লুৎফর রহমান
মোবাইল: ০১৩৫১-৬৭৫২৩২
একটু সহযোগিতা, একটুখানি সহমর্মিতা—হয়তো একটি পরিবারের বেঁচে থাকার লড়াইয়ে জোগাতে পারে নতুন সাহস।

