বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি গাজীপুর সাংবাদিক ফোরামের
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং এর পেছনের কারণ জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে ঢাকাস্থ গাজীপুর সাংবাদিক ফোরাম। প্রকল্পে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। ফোরামের মতে, গাজীপুরসহ এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী ১৮ জেলার মানুষের স্বার্থ উপেক্ষা করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দেশের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে ফোরামের সভাপতি ফয়সাল আলম ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হক বলেন, বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণকাজের কারণে গাজীপুর ও উত্তরা এলাকার মানুষ দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে যানজট ও যাতায়াতের ভোগান্তি সহ্য করছেন। এত দীর্ঘ সময় দুর্ভোগ পোহানোর পর প্রকল্পটি বাতিল এবং নির্মিত অবকাঠামো ভেঙে ছয় লেনের মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত তাঁদের নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।
বিবৃতিতে তারা বলেন, কেন প্রকল্পটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, এর পেছনে কী যুক্তি রয়েছে এবং এতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ জড়িত কি না, তা সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে। প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি, পরিকল্পনাগত ত্রুটি কিংবা অর্থের অপচয় হয়ে থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি প্রকল্পের অনিয়ম সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, যদি প্রকল্পে কোনো দুর্বলতা পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে তা সংশোধনের বিকল্প বিবেচনা না করে হঠাৎ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতোমধ্যে নির্মিত অবকাঠামো ভেঙে ফেলা কতটা যৌক্তিক, তার ব্যাখ্যাও প্রয়োজন।
ফোরামের নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অবকাঠামো ভেঙে নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু হলে সংশ্লিষ্ট সড়কে যানজট ও জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। এতে গাজীপুর ও উত্তরা এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি এই সড়ক ব্যবহারকারী ১৮ জেলার যাত্রী ও পণ্য পরিবহনও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জনগণের অর্থে নির্মিত অবকাঠামো ভেঙে ফেলার আগে এর ব্যবহারযোগ্যতা, নতুন নির্মাণের ব্যয় এবং বিকল্প ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা জরুরি।
বিবৃতিতে তারা বলেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর মানুষ এমন একটি কার্যকর পরিবহনব্যবস্থা প্রত্যাশা করে, যা যাতায়াতের সময় কমাবে এবং যানজট নিরসনে ভূমিকা রাখবে। শেষ মুহূর্তে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জনস্বার্থ, আর্থিক দায় ও যোগাযোগব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব যথাযথভাবে বিবেচনা করা উচিত।
ফোরামের নেতারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিআরটি প্রকল্প বাতিল ও নির্মিত অবকাঠামো ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে স্বচ্ছ মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে। গাজীপুরের মানুষের ১৪ বছরের দুর্ভোগ এবং ১৮ জেলার মানুষের যাতায়াতের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত, সাশ্রয়ী ও কার্যকর পরিবহনব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে বিবৃতিতে।
তপন/এসএন
আরও পড়ুন
প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন আর নেই
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ এএম
আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৮ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত দৈনিক নিউ টাইমস পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিন আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ময়মনসিংহ নগরের নেক্সাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
তার বড় মেয়ে মিমি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার বাদ আসর ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা গণসার মোড় গোরস্থান মসজিদ প্রাঙ্গণে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।
মো. আব্দুল মতিন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া থানা এলাকায় সবদুর রহমান ও জামেলা খাতুন দম্পতির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পরিবার নিয়ে ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা এলাকায় বসবাস করছিলেন। ১৯৮৮ সালে তিনি ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সদস্যপদ লাভ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছিলেন। এ কারণে তাকে দীর্ঘ সময় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়। পরে নগরের নেক্সাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, তিন মেয়ে, নাতি-নাতনি ও অসংখ্য আত্মীয়স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সাংবাদিকতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য পরিচিত মো. আব্দুল মতিন ময়মনসিংহের সংবাদমাধ্যম অঙ্গনে ছিলেন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। দৈনিক নিউ টাইমস পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সহসভাপতি হিসেবে সাংবাদিকদের পেশাগত কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তার মৃত্যুতে ময়মনসিংহের সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব পরিবার তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি মো. আব্দুল মতিনের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তিনি ছিলেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকতা জগতের একজন অভিজ্ঞ, নিবেদিতপ্রাণ ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব। দৈনিক নিউ টাইমস পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে আব্দুল মতিনের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার মৃত্যুতে ময়মনসিংহের সাংবাদিক সমাজ একজন অভিভাবককে হারিয়েছে। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
কামরুজ্জামান মিন্টু/অলি/
আরও পড়ুন
সোনারগাঁয় খবরের কাগজের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম
আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->‘চির উন্নত শির’ স্লোগানে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় দৈনিক খবরের কাগজের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
তিন বছর পেরিয়ে চতুর্থ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সোনারগাঁ রিপোর্টার্স ক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। দৈনিক খবরের কাগজের সোনারগাঁ উপজেলা প্রতিনিধি ইমরান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ আব্দুল বারিক, সোনারগাঁও থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুর-এ ইয়াসিন নোবেল, ইস্ট ফুট কোম্পানি লিমিটেডের নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিপো টি এম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মাকসুদুল আলম, সোনারগাঁ রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সাত্তার প্রধান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগান্তরের সোনারগাঁ উপজেলা প্রতিনিধি আল-আমিন তুষার, নয়া দিগন্তের সোনারগাঁ উপজেলা প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ রিপন, সমকালের সোনারগাঁ উপজেলা প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন রতন, আমাদের কণ্ঠের নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি কামরুজ্জামান মিলন, বাংলা টিভির সোনারগাঁ উপজেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মোকাররম মামুন, ফরিদ হোসেন, দৈনিক আগামীর সময়ের সোনারগাঁ উপজেলা প্রতিনিধি বিল্লাল হোসেন, দৈনিক যায়যায়দিনের সোনারগাঁ উপজেলা প্রতিনিধি কামরুজ্জামান রানা, কালবেলার সোনারগাঁ উপজেলা প্রতিনিধি রুবেল মিয়া এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের সোনারগাঁ উপজেলা প্রতিনিধি ডালিম হোসাইন।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মনির হোসেন, কামাল হোসেন ভূঁইয়া, শাহিন সাকি, আকাশ মিয়া, আরাফাত হোসেন সিফাত, মোতালেব, তৌরব হোসেন, হিরুসহ স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা দৈনিক খবরের কাগজের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনার প্রশংসা করেন। তারা পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং আগামী দিনেও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
ইমরান হোসেন/সালমান/
আরও পড়ুন
খবরের কাগজের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেটে ‘খবর আড্ডা’
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম
খবরের কাগজের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেটে ‘খবর আড্ডা’র আয়োজন করা হয়। ছবি: খবরের কাগজ
-->দৈনিক খবরের কাগজের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেটে ‘খবর আড্ডা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট নগরের দরগামহল্লায় চৈতন্য প্রকাশনীতে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।
দৈনিক খবরের কাগজের নিজস্ব প্রতিবেদক শাকিলা ববির সঞ্চালনায় আড্ডায় অংশ নেন পত্রিকাটির সিলেট ব্যুরোপ্রধান উজ্জ্বল মেহেদী, ঐতিহ্য ও পরিবেশ আন্দোলনের নাগরিক সংগঠক আব্দুল করিম কিম, বন্ধুজন সিলেটের উপদেষ্টা ও ঐতিহ্য সংগ্রাহক লিটন চৌধুরী এবং সংগঠনটির সভাপতি মনোয়ার পারভেজ।
আড্ডায় সিলেটের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে দৈনিক খবরের কাগজে প্রকাশিত সংবাদের বিশ্লেষণ ও সিলেটের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
খবরের কাগজের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে আব্দুল করিম কিম বলেন, ‘খবরের কাগজ শুরু থেকেই সিলেটের বিভিন্ন সমস্যা, মন্ত্রী-এমপি ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে লিখেছে। পরিবেশ-প্রতিবেশ, নদী নিয়ে সব সময় খবর প্রকাশেও খবরের কাগজ এগিয়ে ছিল। সিলেটের খবর প্রকাশে খবরের কাগজের সিলেট ব্যুরো অফিসে যারা কাজ করেন তাদের কখনোই পক্ষপাতদুষ্ট হতে দেখিনি। যার ফলে সিলেটে খবরের কাগজ পত্রিকার অনেক গ্রহণযোগ্যতা আছে। আশা করি, তাদের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
বন্ধুজন সিলেটের উপদেষ্টা ও ঐতিহ্য সংগ্রাহক লিটন চৌধুরী বলেন, “‘চির উন্নত শির’-চতুর্থ বর্ষে পদার্পণের ক্ষণে খবরের কাগজের এই স্লোগানই জানান দেয়, খবরের কাগজ কতটা শক্তিশালীভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। খবরের কাগজের সিলেটের দায়িত্বশীলরা অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে, আত্মমর্যাদা, নির্ভীকতা এবং দৃঢ় সাহস নিয়ে সিলেটে কাজ করে যাচ্ছেন। একটি দেশ, একটি শহরের মূল ভিত্তি হলো সেখানকার ইতিহাস-ঐতিহ্য। খবরের কাগজ বিভিন্ন সময় সিলেটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, পর্যটন নিয়ে বিভিন্ন ফিচার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ঐতিহ্যে ভরপুর এই সিলেট নিয়ে আরও অনেক খবর প্রকাশ করে সিলেটের হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস-ঐতিহ্যকে সবার কাছে তুলে ধরবে এটাই আমার প্রত্যাশা। চতুর্থ বর্ষে পদার্পণে খবরের কাগজকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।”
বন্ধুজন সিলেটের সভাপতি মনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সিলেটে খবরের কাগজ শুরু থেকেই অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার জানান দিয়েছিল। তাদের এই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। আমি মনে করি, এটাই খবরের কাগজের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আশা করি, সামনেও খবরের কাগজ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকবে। যেখানেই শোষণ, অত্যাচার হবে সেখানেই খবরের কাগজ শোষিতদের পক্ষে দাঁড়াবে এবং অপশক্তির কাছে কখনো পরাজয় স্বীকার করবে না। তৃতীয় বর্ষপূর্তিতে খবরের কাগজকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’
খবরের কাগজের সিলেট ব্যুরোপ্রধান উজ্জ্বল মেহেদী বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই চেয়েছি পাঠকের কাছে সত্য তুলে ধরতে, অনুসন্ধানভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে প্রভাবশালীদের দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার উন্মোচন করতে। পাশাপাশি সিলেটের পরিবেশ, ইতিহাস-ঐতিহ্য, পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী সংবাদ পরিবেশন করাও আমাদের পরিকল্পনায় ছিল। সে অনুযায়ীই, আমরা গত তিন বছর কাজ করেছি। আমাদের অনেক সংবাদ সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পাঠকদের কাছে সত্য তুলে ধরতে আমরা সর্বদা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
সালমান/
আরও পড়ুন
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানেও কর্মচঞ্চল অনলাইন বিভাগ
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ পিএম
আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ পিএম
অনলাইন বিভাগের একাংশ। ছবি: শাহনেওয়াজ পাপ্পু
-->পাঠকের ভালোবাসায় চতুর্থ বর্ষে পদার্পন করেছে দেশের জনপ্রিয় দৈনিক খবরের কাগজ। দিনটিকে ঘিরে নানা আয়োজন, উৎসবের আমেজের মধ্যেও থেমে নেই অনলাইন বিভাগের কাজ। পাঠকের কথা মাথায় রেখে অনলাইন বিভাগটি সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকেই পত্রিকাটির প্রধান কার্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজন, উৎসবমুখর পরিবেশ এবং পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের ভালোবাসায় সাড়ম্বরে উদযাপিত হচ্ছে তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ, গৌরব ও সাফল্যের এক বিশেষ উপলক্ষ হলেও পাঠকদের কাছে তাৎক্ষণিক দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর পৌঁছে দিতে এ বিভাগের কর্মীরা তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
আনন্দঘন পরিবেশের মাঝেও তাদের লক্ষ্য নির্ভুল, দ্রুত সংবাদ পরিবেশন করা।
প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে অনলাইন বিভাগ শুধু তথ্য প্রকাশের মাধ্যম নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি, অর্জন ও সাফল্য তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
অমিয়/
