দিল্লিতে স্কুলের মধ্যে রহস্যজনক ভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর। শনিবার তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয় কৃষ্ণ নগরের একটি স্কুল থেকে। নিরাপত্তারক্ষীদের ঘরের পিছনে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁকে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, স্কুলে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় একটি দল। ঘটনাস্থল ও নিহতের ব্যাগ থেকে কিছু তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, এটি আত্মহত্যা।
কী ভাবে ঘটল এই ঘটনা? সংবাদমাধ্যমে তরুণীর দিদি জানান, তিনি বোনকে স্কুলে ছাড়তে গিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, ‘‘তখন তো হাসাহাসি করছিল। তার পর যে কী হল, জানি না।’’ তাঁর দাবি, দুপুর ১২টা ৪০ নাগাদ তাঁর কাছে স্কুল থেকে ফোন আসে। জানানো হয়, বোনের অবস্থা গুরুতর। স্কুলে গিয়ে জানতে পারেন আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে বোনের।
আগুন লাগার কারণ সম্বন্ধে এখনও অন্ধকারে স্কুল কর্তৃপক্ষ। দমকল আধিকারিক অনুপ সিংহ বলেন, ‘‘দুপুর ১২টা নাগাদ আমাদের কাছে ফোন আসে। খবর পাই স্কুলে আগুন লেগেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি স্কুলের নিরাপত্তারক্ষীদের ঘরের পিছনে যে জলের ট্যাঙ্ক, তার পাশে পড়ে রয়েছেন এক ছাত্রী। আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। মুখের একাংশ বিশ্রী ভাবে পুড়ে গিয়েছিল। তাঁর মৃতদেহ অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কী ভাবে আগুন লাগল, তা এখনও পরিষ্কার নয়।’’
এলাকার বিজেপি বিধায়ক অনিল গোয়ল বলেন, ‘‘একটি বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে গেল। কী কারণে এই আত্মহত্যা সেটা বিস্তারিত তদন্তের পরে জানা যাবে। স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন ও এসডিএম (সাব ডিভিশনল ম্যাজিস্ট্রেট) অফিসের আধিকারিকেরা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’’
