ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এভারটনের সেন্টারব্যাকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন চেলসির আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। চেলসির ২-০ গোলের জয় ম্লান হয়ে যায় তার ইনজুরিতে। দ্বিতীয়ার্ধে তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠ থেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর চোয়ালে ফাটল ধরা পড়লে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে তার। যা থেকে সেরে উঠতে কয়েক সপ্তাহ লাগবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
এভারটনের একটি ফ্রি কিক বিপদমুক্ত করার জন্য পাঞ্চ করতে গেলে দলটির সেন্টারব্যাক জ্যারাড ব্র্যান্থওয়েটের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন দিবু মার্টিনেজ। ওই সময় প্রায় ১০ মিনিট মাঠে পড়ে থাকার পর স্ট্রেচারে করে তাকে মাঠের বাইরে নেওয়া হয়। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সরাসরি একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সিটি স্ক্যানে ঘাড়, পিঠ ও মাথার খুলিতে উদ্বেগজনক কিছু পাওয়া যায়নি। তবে পরীক্ষায় তার চোয়ালে ফাটল ধরা পড়ে, যার জন্য অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়।

আর্জেন্টাইন তারকাকে নিয়ে ভয় অনেকটাই কেটে গেলেও, তার মাঠে ফিরতে প্রায় দেড় মাস পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস। সেটি সত্যি হলে চেলসির হয়ে আসন্ন কয়েকটি ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি। একইসঙ্গে বছরের শেষ আন্তর্জাতিক বিরতিতেও আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলা হচ্ছে না তার। আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে আর্জেন্টিনার।
আরও পড়ুন
সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর নিজের অবস্থা জানিয়েছেন মার্টিনেজ। ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে হাসপাতালের বেডে শোয়া একটি ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘যারা বার্তা পাঠিয়েছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা ক্লিনশিট ধরে রেখে ম্যাচ জিতেছি। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফিরব।’
— Chiqui Tapia (@tapiachiqui) October 18, 2026
অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার কিছুক্ষণ পর বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষকের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘আমার প্রিয় দিবু, তোমার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। পৃথিবীর সব শক্তি তোমার সঙ্গে থাকুক। দূর থেকে তোমাকে অনেক বড় একটি আলিঙ্গন জানাচ্ছি। আমার কোনো সন্দেহ নেই তুমি আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে। ভালো-মন্দ সব সময়েই তোমার পাশে আছি। তোমাকে ভালোবাসি, বন্ধু।’
এএইচএস
