Published : 13 Oct 2026, 02:30 PM
Updated : 13 Oct 2026, 01:23 PM
সিসামুক্ত দেশ গড়তে জাতীয় কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় জরুরি বলে মনে করেন তরুণ পরিবেশকর্মী সোহানুর রহমান। তার মতে, পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি এর লক্ষ্য অর্জনে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
সোহানুর রহমান বলেন, সিসাদূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত মেয়াদি জাতীয় কৌশল ও কর্মপরিকল্পনার খসড়া তৈরিতে তারা ভূমিকা রেখেছেন। পরিকল্পনাটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়াকে স্বাগত জানালেও এর কার্যকর বাস্তবায়নই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, এই কর্মপরিকল্পনায় সিসাদূষণের উৎস শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ, শিশুদের রক্তে সিসার মাত্রা পরীক্ষা এবং জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোহানুরের মতে, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে শুধু পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সিসাদূষণ জনস্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পণ্যের মানের সঙ্গেও সম্পর্কিত। তাই স্বাস্থ্য, বাণিজ্য, অর্থসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি জানান, পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে সিসাদূষণ অর্ধেকে নামিয়ে আনা এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ৯৫ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
সোহানুর বলেন, সরকারকে সহায়তা করার পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, তরুণ ও শিশুদেরও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে ভূমিকা রাখতে হবে। নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে ঘাটতি থাকলে সরকারের কাছে জবাবদিহি চাইতে হবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।
