চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্গাপুজোয় পদপিষ্টের ঘটনায় ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও মর্মান্তিক। তাঁদের নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হোক। শনিবার রাতে মেমারির পালসিটে তৃণমূলকে পালটা নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এই শোকের মুহূর্তে তৃণমূল নেতাদের মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি না করার পরামর্শ দেন তিনি।
শনিবার রাতে মেমারির পালসিটে এক কর্মীর বাবার মৃত্যুতে খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “দুর্ঘটনায় মৃতদের নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হোক। দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও মর্মান্তিক। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে আশ্রয় নেওয়ার জন্য মানুষের তাড়াহুড়ো এবং উলটো দিক দিয়ে প্রবেশের চেষ্টার জেরে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। প্রাণ হারান নিরীহ মানুষ।”
চোরবাগান কাণ্ডে ধৃত ঘোষক কুশল মজুমদার ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন, কেন, কোন পরিস্থিতিতে তিনি মণ্ডপ ভেঙে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। পরে অবশ্য সেই পোস্ট তুলে নেওয়া হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে, সুকান্ত মজুমদার জানান, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে বা কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীও স্পষ্ট জানিয়েছেন, দোষীদের কাউকে রেয়াত করা হবে না।
এদিকে, নভেম্বরেই কলকাতা ও হাওড়া-সহ ৭টি পুরসভায় ভোট রয়েছে। তারপর বছর ঘুরলেই ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে নির্বাচন বলে মনে করা হচ্ছে। কলকাতা পুরসভার ভোটে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরদের একাংশ বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাফ জানান, অনেকে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাঁদের দলে নেওয়ার বিষয়ে বিজেপির বিশেষ আগ্রহ নেই। নিজেদের সাংগঠনিক শক্তির উপর ভরসা রেখেই বিজেপি লড়াই করবে।
