কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্ধার ১০ মরদেহের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা মরদেহগুলোর নমুনা সংগ্রহ করছে সিআইডি।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সবুক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, মর্গে রাখা ১০ মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করবেন কক্সবাজারের সিআইডি দল। দুপুরের পর এই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। অন্যদিকে নমুনা মিলানোর জন্য ঢাকার সিআইডি হেডকোয়ার্টারে নমুনা দিতে গেছেন নিহতদের স্বজনরা।
এদিকে এখন পর্যন্ত নিহত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনের প্রাথমিক পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। অন্য চারটি মরদেহ পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা যায়নি। তবে তারা যশোরের মনিরামপুরের নাহিদুর রহমান তুহিন, তার স্ত্রী আফসানা ও দুই সন্তান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তার স্বজনরা। ইতোমধ্যে তাদের একাধিক স্বজন কক্সবাজারে এসে পৌঁছেছেন।
কক্সবাজারে আসা নাহিদুরের বন্ধু শামসুদ্দোহা জানান, নাহিদুর স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ১৬ অক্টোবর কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। তারা পুড়ে যাওয়া টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন। ১৮ অক্টোবর সকাল রিসোর্ট ছেড়ে কক্সবাজার থেকে ঢাকার ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শনিবার অগ্নিকাণ্ডে পর থেকে তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তাই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা আগুনে পুড়ে মারা গেছেন।
তিনি বলেন, আমরা জেনেছি, মরদেহগুলো পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে না। তাই ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সবুক্তগীন মাহমুদ সোহেল বলেন, ১০ মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হবে। পরীক্ষার ফল পেতে কমপক্ষে দুই সপ্তাহ সময় লাগবে। ততক্ষণ পর্যন্ত মরদেহগুলো মর্গে রাখা হবে। চূড়ান্ত পরিচয় শনাক্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
