Published : 24 Oct 2026, 09:00 PM
Updated : 24 Oct 2026, 08:14 PM
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান এর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। উঁচু টিলার ওপর সবুজে ঘেরা এই স্মৃতিস্তম্ভ দেখতে অনেকেই এখানে আসেন।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগের স্মৃতি ধরে রাখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত হয়েছে শহীদ মিনার। এরই ধারাবাহিকতায় এই শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
জানা যায়, ২০০১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী এই শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর নকশা করেন স্থপতি মহিউদ্দিন খান। প্রায় ৬ হাজার ৮৮৬ বর্গফুট এলাকাজুড়ে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একটি উঁচু টিলায় অবস্থিত।
শহীদ মিনারটির অন্যতম আকর্ষণ ১০১ ধাপের দীর্ঘ সিঁড়ি। এই সিঁড়ি বেয়ে টিলার চূড়ায় অবস্থিত মূল বেদিতে পৌঁছাতে হয়। বেদিতে ওঠার আগে চোখে পড়ে একটি বৃত্তাকার দেয়াল। এরপর আরও সাতটি ছোট ধাপ পেরিয়ে পৌঁছানো যায় মূল বেদিতে। সিঁড়ি, বৃত্তাকার দেয়াল ও মূল বেদির সমন্বয়ে স্থাপনাটিতে ফুটে উঠেছে স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী।
টিলার চূড়ায় উঠলে চোখে পড়ে সবুজে ঘেরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও পাহাড়ি প্রাকৃতিক পরিবেশ। দীর্ঘ সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার অভিজ্ঞতা আর প্রকৃতির সঙ্গে স্থাপত্যের মেলবন্ধন শহীদ মিনারটিকে দিয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য।
প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এখানে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: সিলেট।
