ছবি: সংগৃহীত
-->কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহারে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন ও সম্মান নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ভুয়া ও আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ। এর প্রভাব শুধু তারকাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত জীবনও পড়তে পারে এমন ঝুঁকিতে।
সম্প্রতি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও পরীমনির নামে একটি আপত্তিকর ভুয়া ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গত ১৩ অক্টোবর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙার ইনস্টাগ্রাম পেজে ভিডিওটি প্রকাশিত হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। একই সঙ্গে ভুল কনটেন্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে এরই মধ্যে ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তারকারাও এআইয়ের অপব্যবহারের শিকার হচ্ছেন। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কারও ছবি বা পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও তৈরি ও প্রচার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং সামাজিক মর্যাদার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে।
এ পরিস্থিতিতে সম্মতি ছাড়া কারও ছবি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন এআই বিশ্লেষক ও কনটেন্ট নির্মাতা রবিন রাফান।
‘খবরের কাগজ’-এর সঙ্গে আলাপকালে রবিন রাফান বলেন, ‘তারকাদের নিয়ে এআইয়ের যে নোংরা খেলা শুরু হয়েছে, তা এখনই থামানো না গেলে সামনে এমন ঘটনা আরও ঘটতে পারে।’
তিনি মনে করেন, এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, ‘এআই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, ভবিষ্যতে এটি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। সম্মতি ছাড়া কাউকে নিয়ে ভিডিও তৈরি ও ছড়ালে কঠোর শাস্তি এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করলে এসব কমে আসবে। না হয়, এই প্রযুক্তির সঙ্গে পেরে ওঠা প্রায় অসম্ভব।’
