আদাশিমলায় বিজয়া সম্মিলনীতে রক্তদান শিবিরEi Samay
Published on
:
1 min read
এই সময়, খড়্গপুর: বিজয়া সম্মিলনী মানে শুধু কোলাকুলি আর মিষ্টিমুখ নয়। গুরুত্ব দেওয়া হলো মানুষ হিসাবে সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও। যার সূত্রে আয়োজিত হলো রক্তদান শিবির। দুর্গার আরাধনার সঙ্গে এভাবেই সমাজ-সচেতনতাকে এক সুতোয় গাঁথল সবংয়ের আদাশিমলা নারায়ণী যুব উন্নয়ন সংস্থা। তাদের এই উদ্যোগে সাড়াও মিলল নজরকাড়া। শুক্রবার বিজয়া সম্মিলনীতে অংশ নিয়ে রক্তদান করলেন ৮২ জন। তার মধ্যে আবার ৩৭ জন মহিলা। গ্রামীণ এলাকায় রক্তদানে মহিলাদের এই অংশগ্রহণে খুশি রক্ত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। সংস্থার সম্পাদক পুলক রায় বলেন, 'সমাজের জন্য তো কিছু করতে হবে। পুজোয় তো আমরা সকলেই আনন্দ করেছি। কিন্তু মানুষ অসুস্থ হলে রক্ত পাবেন কোথায়? হাসপাতালে সেই রক্তের চাহিদা পূরণ করতেই আমরা বিজয়া সম্মিলনীর আবহে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছি।'
মানব সেবার পাশাপাশি খেলাধুলো ও সাংস্কৃতিক চর্চার লক্ষ্যে ১৯৬০-এ ভূমিষ্ঠ হয় এই সংস্থা। বর্তমানে ক্লাবের সদস্যসংখ্যা ৮৪ জন। যাঁরা বছরভর বন্যাত্রাণ, ফুটবল প্রতিযোগিতা, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, যাত্রা ও নাটক মঞ্চস্থ করা থেকে বিভিন্ন সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। রক্তদান শিবিরও করেন মাঝেমধ্যে। এ ছাড়াও কালীপুজো করেন ধুমধাম করে। পুজো উপলক্ষে থাকে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শুধু আদাশিমলা নয়, আশপাশের গ্রামের মানুষও ভিড় করেন উৎসবে। সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ক্লাবের সদস্যদের কাছে সাহায্যের আশায় আসেন অনেকেই। যা এলাকায় ক্লাবের খ্যাতি বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই রক্তদান শিবিরে উৎসাহের সঙ্গে অন্যদের পাশাপাশি শামিল হয়েছিলেন অনেক মহিলাও।
সংস্থার সম্পাদকের কথায়, 'আমরা বিজয়া সম্মিলনী উপলক্ষে যেমন মিষ্টিমুখ করিয়েছি, কোলাকুলি করেছি। তেমনই রক্তদান সম্পর্কেও মানুষকে সচেতন করেছি। কেন রক্ত দান করা প্রয়োজন তা বুঝিয়েছি। সকলেই আনন্দের সঙ্গে রক্তদান করেছেন।' এই নিয়ে ক্লাবের উদ্যোগে এটি ১৪ তম রক্তদান শিবির। ভবিষ্যতে আরও নানা ধরনের সামাজিক কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
