মিচেল স্যান্টনারের ঘূর্ণিতে ম্যাচ ছিল নিউজিল্যান্ডের হাতের মুঠোয়। টপ ও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার মাঝে সমীকরণ হয়ে পড়েছিল ভীষণ কঠিন। তবে শেষের পাঁচ ওভারে অসাধারণ জুটিতে হিসেব বদলে দিলেন তিলক বর্মা আর নিতিশ কুমার রেড্ডি। খাদের কিনার থেকে অসামান্য জয় তুলে নিল ভারত।
শনিবার ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১ বল আগে ভারত জিতেছে ৪ উইকেটে। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেল শ্রেয়াস আইয়ারের দল। দলকে জিতিয়ে ২৬ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক। ১৩ বলে ২৬ করেন নিতিশ।
আগে ব্যাট করে গ্লেন ফিলিপস আর বেভন জ্যাকবসের ফিফটিতে ১৮০ রান করেছিল স্বাগতিকরা। আগের ম্যাচের চেয়ে এদিন উইকেট ছিল কিছুটা মন্থর ঘরানার। তাতে রান তাড়ায় নেমে ৭০ রানে ৫ উইকেট হারায় ভারত। ১৪.৫ ওভারে ১১২ রানে যখন ৬ উইকেট পড়ে তখন ম্যাচ ছিল কিউইদের দিকে হেলে।
৩১ বলে দরকার ছিল ৬৯ রান। ১৭ বলে ৩১ করে নামান ধিরের বিদায়ে কঠিন হয়ে যাওয়া পরিস্থিতি সহজ করেন নিতিশ। তিলকের ওপর চাপ কমিয়ে কিছু বাউন্ডারি বের করেন তিনি। পরে তিলক হয়ে ওঠেন দুর্বার। ৩০ বলের জুটিতে অবিচ্ছিন্ন ৬৯ রান করে ভারতকে জেতান তারা।
১৮১ রানের লক্ষ্যে ভারতের টপ অর্ডার থেকে রান আসেনি। সঞ্জু স্যামসন, বৈভব সূর্যবংশী থামেন অল্প রানে। ভালো শুরুর আভাস দিয়ে ২৭ করে ফেরেন অভিষেক শর্মা। শ্রেয়াস আইয়ার, অক্ষর প্যাটেল ব্যর্থ হলে সব চাপ পড়ে তিলক-নামান-নিতিশের ওপর। লোয়ার অর্ডারে নিজেদের দায়িত্ব সারেন তারা।
নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক স্যান্টনার বাঁহাতি স্পিনে মাত্র ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দলকে শক্ত অবস্থানে রেখেছিলেন, তবে বাকি বোলাররা তাকে করেন হতাশ।
এদিনও টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ১৮ রানে ২ ও ৪১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। চাপের মুখে ফিলিপস-জ্যাকবের ৭৭ বলে ১১৬ রানের জুটিতে বড় পুঁজি পায় নিউজিল্যান্ড। ফিলিপস ৪৩ বলে ৭০ ও জ্যাকবস ৪৬ বলে করেন ৫৮ রান।
