Published on
:
2 min read
প্রতিবেশী এক নাবালকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বোনের। সেই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি ওই কিশোরীর দাদা। ওই সম্পর্কে আপত্তি ছিল তার। এর পরেও সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেনি ওই নাবালক এবং কিশোরী। এর পরেই পরিকল্পিতভাবে ওই নাবালককে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টাও করেন কিশোরীর দাদা। গুজরাটের বনসকণ্ঠ এলাকার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম অশোক ভাগাভাই ঠাকোর (Ashok Bhagabhai Thakor)। ১৮ বছর বয়সি অশোককে কৌশলে নিয়ে যাওয়া হয় একটি খামার বাড়িতে। সেখানে তাকে বিষাক্ত মদ পান করানো হয় এবং এরপর শ্বাসরোধ করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। এই খুনের অভিযোগ উঠেছে মহেশ কারশনভাই ঠাকোরের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বোনের সঙ্গে ওই নাবালকের প্রেমের সম্পর্কের কারণে তাকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। এর পরেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে সাজাতে অভিযুক্তরা একটি জামার সাহায্যে শেডের ছাদের কাঠামোর সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন অশোকের দেহ।
এই ঘটনা ঘটেছে গুজরাটের বনসকণ্ঠ (Banaskantha)-র স্বরূপ পাটিয়া এলাকার কাছে। জানা গিয়েছে, অশোকের সঙ্গে প্রায় দু’বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ওই কিশোরীর। কিন্তু এই সম্পর্ক কোনও দিনই মেনে নিতে পারেনি মহেশ কারশনভাই ঠাকোর। এই নিয়ে আগেও দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদও হয়। এই নিয়ে শত্রুতার জেরেই অশোককে খুনের ষড়যন্ত্র করা হয় বলে দাবি পুলিশের।
বুধবার রাতে অশোককে খুন করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সম্পর্কের ইতি টানার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে একটি ফাঁদ পেতেছিলেন অভিযুক্তরা। অভিযোগ, তারা খামারবাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে মদের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ বা নেশাজাতীয় বড়ি মিশিয়ে অশোককে তা পান করিয়েছিলেন। তীব্র নেশাজাতীয় ওষুধের প্রভাবে সে যখন অচেতন হয়ে পড়ে, তখন সেখানেই তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। সেখানেই একটি জামার সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় অশোককে।
তা জানার পরে অশোককে ভাব এলাকার সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান আত্মীয়রা। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এই নিয়ে ভাব থানায় (Vav police station) মহেশ এবং কিরণ জোহাবাই ঠাকোর (Kiran Johabhai Thakor)-এর নামে খুনের মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। ওই খুনের ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
