পুজোর সময়ে জ্বরছবি: আইস্টক
Published on
:
1 min read
পুজোর আগেই ঠান্ডা লেগেছিল। আর এই ক’দিন ভিড়ে হেঁটে, লাইনে দাঁড়িয়ে ঠাকুর দেখার পরে শরীরের অবস্থা আরও বেহাল। অনেকেই ভুগছেন গলাব্যথা, হাঁচি-কাশিতে। জ্বর না থাকলেও গায়ে ব্যথা রয়েছে। বহু মানুষের ধারণা মরশুম বদলের জন্য এমনটা ঘটছে। কিন্তু এটা ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণও হতে পারে। সাধারণ হাঁচি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা কিংবা কোভিডও হতে পারে। সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে আপনার মধ্যেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তা হলে এই উৎসবের মরশুমে নিজেকে সুস্থ রাখবেন কী ভাবে?
সংক্রমণ এড়াতে কী করবেন?
ভিড়ের দেখলে মাস্ক পরে নিন। ভিড়ের মধ্যে নাক-মুখ ঢাকা দিয়ে রাখুন। আর অ্যাংজ়াইটি এড়াতে হলে ভিড়-ই এড়িয়ে চলুন।
হাত ধুয়ে খাবার খান। এমনকী অপরিষ্কার হাতে নাকে-মুখেও দেবেন না। ঠিক যে নিয়ম মানতেন কোভিডের সময়েও।
জ্বর-সর্দি হলে প্যান্ডেল হপিং এড়িয়ে চলুন।
কী ভাবে সুস্থ হয়ে উঠবেন?
পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। আর প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। এই সময়ে শরীরে তরলের ঘাটতি হতে দেওয়া যাবে না।
পুষ্টিকর খাবার খান। ডায়েটে পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখুন। এ ছাড়া তরল খাবার বেশি করে খান, যাতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে।
গরম জলের ভেপার নিতে পারেন। এতে বুকে জমে থাকা কফ বেরিয়ে যাবে।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত নয়। যদি সমস্যা না কমে, তখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে পারেন।
কখন সতর্ক হবেন?
জ্বর পাঁচ বা তার বেশি দিন থাকলে কিংবে দশ দিনেও যদি জ্বর না কমে, তা হলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
জ্বরের সঙ্গে গা-হাত-পায়ে ব্যথা থাকলে, পেটব্যথা হলে কিংবা বার বার বমি হলে ডেঙ্গির রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিন।
এ ছাড়া শ্বাসকষ্ট হলে কিংবা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলেও চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়া দরকার।
