Published on
:
6 min read
‘বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।’
সৃষ্টির মূলে নারী-পুরুষের এই ভূমিকাই যেন ধরা পড়েছে শাস্ত্র বর্ণিত মহাদেবের অর্ধনারীশ্বর রূপে। শিব বড় নাকি শক্তি? কে কার অনুসরণকারী? কে শ্রেষ্ঠ? এ নিয়ে তর্কের শেষ নেই। শক্তির ধারক শিব নাকি শিবের জন্মের উৎস শক্তি? কেউ বলেন, সমগ্র সংসারের কোনও পুরুষই তো মহিষাসুরকে বধ করতে পারেননি, তাই জন্ম নিতে হয়েছিল দেবীকে। সুতরাং, নারীশক্তিই শ্রেষ্ঠ। কেউ বলেন, দেবীর জন্ম সমগ্র দেবজাতির সম্মিলিত তেজ বা উর্জা থেকে। সুতরাং শক্তিই শ্রেষ্ঠ। তবে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেতে হলে, ফিরে তাকাতে হবে অর্ধনারীশ্বরের দিকে।
এক শরীর অর্ধেক পুরুষ, অর্ধেক নারী! একদিকে মহাদেব, অন্যদিকে দেবী পার্বতী। একই অবয়বে দুই বিপরীত সত্তার এমন অপূর্ব মেলবন্ধন কি শুধুই এক পৌরাণিক কাহিনি, নাকি এর গভীরে লুকিয়ে রয়েছে আরও কোনও গুঢ় সত্য?
হিন্দু ধর্মে কিন্তু অর্ধনারীশ্বরের রূপ কেবল শিব ও শক্তির মিলন নয়। বরং সৃষ্টি, প্রকৃতি, চেতনা এবং নারী-পুরুষের পারস্পরিক নির্ভরতার এক গভীর দার্শনিক প্রকাশ। কেন মহাদেব নিজের শরীরের অর্ধেক স্থান দিয়েছিলেন দেবীকে? শাস্ত্রেই বা এই রূপের কী ব্যাখ্যা রয়েছে? অর্ধনারীশ্বরের পৌরাণিক কাহিনি থেকে শাস্ত্রীয় তাৎপর্য — জেনে নিন এই অসাধারণ রূপের নেপথ্যের অজানা কথা।
কী বলছে শাস্ত্র?
শিব পুরাণ বলছে সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা শুধু পুরুষ প্রজাতি সৃষ্টি করার পরে বিশ্ব সংসারের কাজ এগিয়ে নিতে ব্যর্থ হন। তখন ব্রহ্মাকে সাহায্য করতে শিব অর্ধনারীশ্বর রূপ ধারণ করেছিলেন।
কালিকা পুরাণে উল্লেখ আছে, পার্বতী শিবের বুকে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়ে তাঁর সতিত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তাঁদের মধ্যে চলে মান-অভিমান। শেষে শিব ও পার্বতী মিলে এই অর্ধনারীশ্বর রূপ ধারণ করেন।
লিঙ্গ পুরাণেও শিব ও পার্বতীর এই মিলিত রূপ তথা সৃষ্টিতত্ত্বের ভারসাম্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। আবার স্কন্দ পুরাণে বিশ্ব সৃষ্টির চক্র এবং শিব-শক্তির সমতার প্রসঙ্গে অর্ধনারীশ্বরের উল্লেখ আছে। বিষ্ণুপুরাণ, বায়ু পুরাণ ও মার্কেণ্ডেয় পুরাণেও অর্ধনারীশ্বর রূপের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই সময় অনলাইনকে বিশিষ্ট জ্যোতিষী দেবজ্যোতি মজুমদার বলেন, ‘শিবপুরাণ বলছে, শিবশক্তি অভেদ তথ্য। একজনকে ছাড়া অন্যের পুজো অসম্ভব। শিব ভিন্ন শক্তির পুজো এবং শক্তি ভিন্ন শিব পুজো করা যায় না। এটাই গুরুতত্ত্ব।’
পুরাণ কী বলছে?
শিব-শক্তি হলেন নারী ও পুরুষ, তথা এই সমগ্র জগৎ সংসার। তাঁরা অবিচ্ছিন্ন; একে অন্যের পরিপূরক। শিব স্থির, সৃষ্টিকে ধারণ করে রয়েছেন, আর দেবী অনবরত সৃষ্টি করে চলেছেন। সেই সহজ সত্য বুঝতে না পেরেই গুরুতর বিপদে পড়েছিলেন মহর্ষি ভৃঙ্গি। এই বিষয়ে এই সময় অনলাইনকে এক পৌরাণিক গল্প শোনালেন লেখক তমোঘ্ন নস্কর — অর্ধনারীশ্বর ও মহর্ষি ভৃঙ্গির গল্প।
অর্ধনারীশ্বর রূপের রহস্য
পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, মহর্ষি ভৃঙ্গি ছিলেন মহান ঋষি এবং শিবভক্ত। কেউ বলেন, তাঁর জন্ম মহাদেবের তেজ থেকে। কেউ মনে করেন অন্ধকাসুর দেবাদীদেবের কাছে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে দিব্যজ্ঞান লাভ করেন। তাঁর পরেই তিনি শিব ভক্তে পরিণত হন, তখন তাঁর নাম হয় মহর্ষি ভৃঙ্গি। সে যাই হোক, মোট কথা, ভৃঙ্গির কাছে একমাত্র আরাধ্য ছিলেন মহাদেব। একবার তাঁর ইচ্ছে হলো নিজের আরাধ্যকে প্রদক্ষিণ করবেন। এ দিকে শিব ও শক্তি পাশাপাশি বিরাজমান। বাধ্য হয়ে দেবীকে ভৃঙ্গি বললেন, তিনি যেন পাশে সরে দাঁড়ান। নিজের আরাধ্য মহাদেবকে প্রদক্ষিণ এবং আরাধনা করবেন তিনি। স্ত্রী-র এ হেন অপমানে দেবাদিদেব ক্রোধিতই হলেন। তবু মহর্ষির ভক্তির কথা স্মরণ করেই, আরেকবার পরস্পরের অভিন্নতা বোঝানোর জন্য অর্ধনারীশ্বর রূপ ধারণ করেন শিব-শক্তি।
অপূর্ব রূপের ছটা! একদিকে তপ্ত কাঞ্চনবর্ণা দেবী গৌরী, আর অন্যদিকে দুগ্ধ ফেনার ন্যায় শ্বেতশুভ্র মহেশ্বর! এমন দৃশ্য দেখে মোহিত হয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। ভৃঙ্গি তখন আপন ভক্তি ও জেদে আচ্ছন্ন। শক্তি আর শিব যে একই, তাঁরা পরিপূরক তা তিনি মানবেন না। তিনি পুরুষকারে অর্থাৎ শিবকেই বিশ্বাস করেন। কেবলমাত্র মহেশ্বরই তাঁর আরাধ্য। তাঁকেই পুজো করবেন, শক্তিকে নয়।
দেবী তখন বললেন, ‘বেশ, তুমি তা হলে আমাদের মধ্যে থেকে কেবল মহাদেবকে প্রদক্ষিণ করে দেখাও। এই অর্ধনারীশ্বর শরীর ভেদ করে দেখাও।’ মহর্ষি তৎক্ষণাৎ ভৃঙ্গ অর্থাৎ ভ্রমরের রূপ নিলেন। কিন্তু তাঁরা যে অভেদ্য। বার বার আঘাত করলেও অর্ধনারীশ্বরের দেহ ভেদ করে যেতে পারলেন না।
এ দিকে মহর্ষির এ রূপ জেদ দেবীকেও ক্রোধান্বিত করে তোলে। তিনি তখন অভিশাপ দেন। মাতৃত্বের প্রতি যদি তাঁর এতই অবজ্ঞা, তা হলে মায়ের থেকে পাওয়া সমস্ত পেশি, স্নেহই তিনি ফিরিয়ে নেবেন। পিতার থেকে পাওয়া হাড়, স্নায়ু নিয়েই বরং বেঁচে থাকুক ভৃঙ্গি। তৎক্ষণাৎ মহর্ষি ভৃঙ্গির দেহ পতিত হলো ভূমিতে, অঝোর ধারায় ঝরল কান্না। কিন্তু ওই যে মায়ের মন, ‘কু সন্তান হতে যদি বা হয়, কুমাতা কখনও নয়।’ তবে শাপ তো আর ফেরানো যায় না। মা বললেন, বেশ তোমাকে আমি ‘তৃতীয় পদ দিলাম।’ এই তৃতীয় পদ নিয়েই তুমি ভৃঙ্গী হয়ে সারা জীবন দাঁড়িয়ে থেকো। সে ভাবেই তিনি পূজিত হন, নটরাজ মূর্তিতে।
দেবজ্যোতি বলেন, ‘ঈশ্বর এক এবং অদ্বিতীয়। তিনি জগৎ শিক্ষার কারণেই আমাদের সামনে ভিন্ন ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হন। অর্ধনারূশ্বর রূপ তারই প্রতীক। এই প্রকৃতিতে বৈচিত্র্য সবচেয়ে বড় সত্য। কেবল পুরুষ বা নারী নয়, উভলিঙ্গ প্রাণীও আমাদের সমাজের অংশ। তাঁদের গুরুত্ব বোঝাতে এবং উপাস্য হিসেবে এই অর্ধনারীশ্বর রূপ ধারণ করেন শিব-শক্তি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে যাঁরা উভকামী, সমকামী, বৃহন্নলা সম্প্রদায়ের মানুষ, তাঁদের কাছেও বিশেষ ভাবে উপাস্য অর্ধনারীশ্বর। ঈশ্বরের এই রূপ তাঁদের শক্তির প্রতীক। কেবল পুরাণ নয়, এই শক্তির উল্লেখ পাওয়া যায় আমাদের মহাকাব্যেও। মহাভারতে অজ্ঞাতবাসের সময় নিজের পরিচয় গোপন করতে বৃহন্নলার বেশ নিয়েছিলেন স্বয়ং অর্জুন। আবার রাজকুমারী অম্বা ভীষ্মের মৃত্যুর জন্য প্রাণত্যাগের পরে অর্ধনারীশ্বর রূপেই জন্ম নেন — যাঁকে আমরা চিনি রাজা ধ্রুপদের সন্তান শিখণ্ডি রূপে। নর্মদেশ্বর বা বাণেশ্বর শিবমন্দিরে আজও অর্ধনারীশ্বরের পুজো হয়।’
কী ভাবে এল এই চরিত্র, সমাজে এর কী প্রভাব?
সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা সিরাজের পুত্র অমিতাভ সিরাজ বলছেন, ‘আমাদের পাশাপাশি যাঁদের দেখছি, এই মানুষগুলো হঠাৎ করে এসেছেন বা নতুন একটা প্রজন্ম তৈরি হয়েছে, এ রকম কোনও বিষয় নয়। এ কয়েকশো হাজার বছরের প্রাচীন, মানুষের সভ্যতার সময় থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমাদের পুরাণে, পারস্য বা ইরানের সিনেমার বিষয় হয়ে উঠেছে এই চরিত্রগুলো। স্বাভাবিক ভাবেই এই সমাজে আমরা একসঙ্গে বসবাস করছি। এরা আছেন। তাই অর্ধনারীশ্বর খুব স্বাভাবিক ভাবেই খানিকটা পুরাণে, পরবর্তীতে সাহিত্যের মধ্যে আরও বেশি করে উঠে এসেছে। আমার বাবা সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের ‘মায়ামৃদঙ্গ’-এও তা ধরা পড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরাণের দিক বা শাস্ত্রের দিক থেকেও যদি ভাবি, অর্ধনারীশ্বরের মতো পূজিত দেবতার ভারতবর্ষের সামাজিক-পরিকাঠামোগত (সোশিয়ো স্ট্রাকচারাল) ক্ষেত্রে, ধর্মের একটা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। দেবদেবীর একটা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।’
অর্ধনারীশ্বরের রূপ তাই শিব বড়, না শক্তি — এই চিরন্তন বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে এক গভীর সত্যের কথা বলে। শিব ও শক্তি পৃথক নন, বরং একে-অন্যের পরিপূরক। একজনকে বাদ দিয়ে অন্যের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। মহর্ষি ভৃঙ্গির কাহিনিও যেন সেই শিক্ষাই দেয় — সৃষ্টির ভারসাম্য বুঝতে হলে নারী ও পুরুষ, চেতনা ও শক্তি, উভয়ের গুরুত্ব স্বীকার করতে হবে। একই ভাবে শিকার করতে হবে নারী বা পুরুষের বাইরে বাকিদেরও। তাঁরাও এই সমাজেরই অংশ। অর্ধনারীশ্বর তাই কেবল পৌরাণিক দেবরূপ নয়, বৈচিত্র্য, সাম্য ও সহাবস্থানেরও প্রতীক। দেবীপক্ষের প্রাক্কালে এই রূপ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতা নয় — পরস্পরের পরিপূরক হয়ে ওঠাই প্রকৃত শক্তি।
গত ন’বছর ধরে শহরের বুকে অর্ধনারীশ্বরের পুজো করে আসছে গড়িমা গৃহ। তার কর্ণধার তথা অ্যাসোসিয়েশন অফ ট্রান্সজেন্ডার হিজড়ে ইন বেঙ্গলের সেক্রেটারি রঞ্জিতা সিনহা বলেন, ‘আমি নিজে ট্রান্সজেন্ডার। এই পুজো শুরু করার কারণ, ছোট থেকেই দেখেছি দুর্গোৎসব সর্বজনীন হলেও সবার জন্য সেটা নয়। বিশেষ করে আমাদের মতন পিছিয়ে পড়া কমিউনিটি প্রতিনিয়ত সমাজে এবং পরিবারে অবহেলিত এবং নিগৃহীত। দুর্গাপুজোর সময় এই নিপীড়ন অনেক বেশি বেড়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এই নিয়ম ভাঙা পুজো আর দশটা পুজোর থেকে আলাদা। এটা হচ্ছে অর্ধনারীশ্বর। যে শিব, সেই পার্বতী, পুরুষ আর প্রকৃতির মিলন ঘটিয়ে এই মূর্তি। এই পুজোটা কিন্তু হরপার্বতী রূপেই পুজো হতো আমাদের সমাজে। শোনা যায় স্বয়ং চৈতন্যদেব শুরু করেছিলেন এ পুজো, কিছুদিন কাত্যায়নী রূপেও এই পুজো হয়। পরবর্তীকালে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ, পুরুষকে এই ভাবে নারীর মধ্যে দেখানো— মেনে নিতে পারেনি। কিন্তু আমরা হরপার্বতী বা অর্দ্ধনারীশ্বরের পুজোর ইতিহাস আমরা পাই। গড়িমা গৃহে হওয়া এই পুজোর মূর্তি আমাদের কমিউনিটির লোকেরাই বানিয়েছে। মূর্তির অঙ্গরাগ হয়, আমরা ভাসান দিই না। আমাদের পুজোয় ধর্ম, লিঙ্গ, জাতি, ভেদ, নারী, পুরুষ, উভয়লিঙ্গ, ট্রান্সজেন্ডার, লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল এমনকী যৌনকর্মীরাও অংশ নিতে পারেন। এখানে ভোগ দেয়।’
কেমন সেই রূপ?
অর্ধনারীশ্বরের একদিকে বৈরাগ্য, তপস্যা ও রুদ্ররূপের প্রতীক শিব, অন্যদিকে সৌন্দর্য, লাবণ্য, সৃজনশীলতা ও শক্তির প্রতীক দেবী। মূর্তির ডানদিকে মহাদেবের জটাজুট শোভা পায়। তাতে দেখা যায় অর্ধচন্দ্র এবং জটা থেকে নির্গত দেবী গঙ্গা। তাঁর গলায় ও বাহুতে শোভা পায় রুদ্রাক্ষের মালা ও সর্পালঙ্কার। কানে থাকে সাধারণ কুণ্ডল, যা তাঁর বৈরাগী সত্তার পরিচায়ক। কোমরে বাঘছালের সঙ্গে থাকে সাধারণ মেখলা বা কোমরবন্ধ। তাঁর অবয়বে ফুটে ওঠে ত্যাগ, সংযম, তপস্যা ও আধ্যাত্মিক শক্তির প্রকাশ।
মূর্তির বাম অংশের অর্ধেক জুড়ে অপরূপা দেবী পার্বতী বিরাজমান। তাঁর মাথায় সুসজ্জিত কেশবিন্যাস। বেণী ও ফুলের মালার সঙ্গে শোভা পায় রত্নখচিত করণ্ড-মুকুট। কানে মকর কুণ্ডল বা ঝুমকোর মতো নকশাদার সোনার দুল। গলায় একাধিক স্বর্ণহার ও রত্নখচিত নেকলেস। বাহুতে কেয়ূর এবং হাতে সোনার কঙ্কণ। কোমরে থাকে কারুকার্য খচিত চওড়া সোনার মেখলা, পায়ে নূপুর। বহু প্রাচীন চিত্রকলায় দেবীর এই অংশে নাকের নথ বা নোলকও দেখা যায়। সোনা, হিরে ও অন্যান্য মূল্যবান রত্নের অলঙ্কারে তাঁর অবয়ব হয়ে ওঠে লাবণ্যময় ও ঐশ্বর্যমণ্ডিত। তাঁদের সম্মিলিত এই রূপ যেন মনে করিয়ে দেয়, বৈপরীত্যের মধ্যেও সহাবস্থান সম্ভব। সৃষ্টি ও জীবনের পূর্ণতা নিহিত রয়েছে এই পারস্পরিক পরিপূরকতার মধ্যেই।
