চোরবাগান সর্বজনীনে প্রাণহানির ঘটনা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় রটছে ভুয়ো তথ্য। তা নিয়ে উদ্বেগে তদন্তকারীরা। গুজব রটানোর অভিযোগে ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনা রাতে কে বা কারা ভুয়ো ঘোষণা করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।
কেউ বা কারা প্যান্ডেল ভেঙে পড়ছে বলে মাইকিং করেছিল। তা দর্শনার্থীদের কানে যাওয়ার পরই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয় বলেই খবর। এসিপি ক্রাইম জানান, বিপর্যস্ত মণ্ডপে ভাঙার চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কে বা কারা মাইকিং করেছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই জানান তিনি।
সোমবার সন্ধ্যায় এসিপি ক্রাইম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, “চোরবাগান বিপর্যয়ে ৬০ জন মৃত বলে গুজব রটানো হচ্ছে। আসলে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কোচবিহার থেকে এসটিএফের হাতে ধৃত ১জন। ধৃত আইনুল হক, কোচবিহারের বাসিন্দা। মণ্ডপের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” এছাড়া শোনা গিয়েছে, কেউ বা কারা প্যান্ডেল ভেঙে পড়ছে বলে মাইকিং করেছিল। তা দর্শনার্থীদের কানে যাওয়ার পরই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয় বলেই খবর। এসিপি ক্রাইম জানান, বিপর্যস্ত মণ্ডপে ভাঙার চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কে বা কারা মাইকিং করেছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই জানান তিনি।
চোরবাগানে বিপর্যয়ের পড়েই তড়িঘড়ি ভবানী ভবনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অভিযুক্ত উদ্যোক্তা-সহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিট গঠন করে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এরই মধ্যে রাজ্য পুলিশের অন্য শাখায় কর্মরত আইপিএস অফিসারদের ফেরানো হল পুজোর দায়িত্ব। জানা গিয়েছে, এই ৭ আইপিএস অফিসারের পুজোর ভিড় সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই তাঁদের পুজোর দায়িত্বে আনা হয়েছে। চোরবাগানের মতো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে আর তৈরি না হয় সেই কারণে এই সিদ্ধান্ত। এখনও বেশ কয়েকটি মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনও বন্ধ রাখা হয়েছে।
