বিজয়া দশমীর দিন বাড়িতে একা ছিল কিশোরী। আশপাশের লোকেরাও গ্রামের মেলা দেখতে গিয়েছিলেন। কিশোরীর বাবা-মা মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলেন। সেই সুযোগে বাড়িতে ঢোকেন সাত জন। অভিযোগ, কিশোরীর মুখ চেপে ধরে জোর করে তুলে নিয়ে যান তাঁরা। ওই সাত জনের মধ্যে তিন নাবালকও ছিল। তেলঙ্গনার ঘটনা।
কিশোরীকে পাশের গ্রামে নিয়ে যান অভিযুক্তেরা। তার পর তাঁকে সাত জন মিলে গণধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। বাড়িতে ফিরে কিশোরীকে দেখতে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন বাবা-মা। তাঁরা গ্রামবাসীদের কাছে খোঁজখবর নেন। কিন্তু কেউই তাকে দেখেননি বলে জানান। রাতভর কিশোরীর খোঁজ চালানো হয়। পর দিন সকালে কিশোরীকে তার গ্রামের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তেরা তাকে ফেলে দিয়ে পালিয়েছিলেন।
বাড়িতে ফিরে কিশোরী তাঁর বাবা-মাকে সব ঘটনা জানায়। তার পরই তাঁরা কন্যাকে নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন। পকসো আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর সাত অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। শুক্রবার সাত অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ধৃতদের মধ্যে তিন নাবালক রয়েছে। অভিযুক্তদের বাড়ি চেরিয়াল এবং ধুলমিট্টা গ্রামের।
উল্লেখ্য, মাস ছয়েক আগে জল খেতে চাওয়ার বাহানায় এক সরকারি কর্মীর বাড়ি ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে অন্ধ্রপ্রদেশের পালানাড়ু জেলার মাচেরলা শহরে। মহিলা যখন অজ্ঞাতপরিচয় ওই ব্যক্তিকে জানান তিনি এইচআইভি আক্রান্ত, তখন তাঁর যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। যে সময় ঘটনাটি ঘটেছিল সেই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন ওই সরকারি কর্মী। ধর্ষণের সেই ঘটনায় তোলপাড় পড়ে যায়।
