শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জেলা শহরের কাছে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পূর্বনির্ধারিত স্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের কোটাপাড়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় ‘শরীয়তপুর জেলার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শরীয়তপুর সদর ও নড়িয়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০২৩ সালে শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হওয়ার পর সদর উপজেলার ডোমসার ও নড়িয়া উপজেলার নশাসন এলাকাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি উপাচার্য নিয়োগের পর ওই স্থানগুলো বাদ দিয়ে ডামুড্যা উপজেলার একটি ইউনিয়নে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।
বক্তারা বলেন, ডামুড্যা উপজেলার প্রস্তাবিত স্থানটি জেলার এক প্রান্তে অবস্থিত। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আবাসন, চিকিৎসা, টিউশনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়বে।
তাঁরা আরও বলেন, শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের জন্য নয়, বরং পুরো জেলার শিক্ষার্থী ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। তাই জেলার সর্বস্তরের মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে জেলা সদর অথবা এর আশপাশে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি আবাসন, চিকিৎসা ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জেলা শহরের কাছাকাছি শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে বিশ্ববিদ্যালয়টি নির্মাণের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির, ইউপি সদস্য বিল্লাল শেখ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান, আবির হাসান ও আমিনুল জিতুসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
যে আই
