সাতকানিয়ায় চেতনাশক খাইয়ে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ১৪ বছর বয়সী এক শিশুকে পানির সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় পদার্থ খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের জনার কেঁওচিয়া গ্রামের মো. ইমন (২৩) ও নুরুল আবছার (৩৮)।
আরও পড়ুন
মামলার নথি ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাবা মারা যাওয়ার পর ভুক্তভোগী শিশুটি মায়ের সঙ্গে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল। গত ২০ অক্টোবর তার মায়ের অনুপস্থিতিতে প্রতিবেশী হোসনে আরা (৩২) নামের এক নারী তাকে ডেকে নিজের ঘরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে পানির সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় পদার্থ খাইয়ে অচেতন করা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত ইমন ও আবছার তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রবিবার সকালে ভুক্তভোগীর মা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাতকানিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার দুইজন ছাড়াও অপরাধে সহায়তা ও প্ররোচনার অভিযোগে হোসনে আরাকে আসামি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আরও পড়ুন
দুপুরে গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, এ ঘটনায় প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অপর পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
আরিফুল/এএফ
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৮৮১
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
খবরের কাগজ গ্রাফিকস
-->কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৪১০ জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ কার্যালয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৮৮ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৭৬ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৩২ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ জন এবং ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ৩৯ জন, বিভিন্ন পরোয়ানামূলে ১২৬ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ২২ জন রয়েছেন।
আরও পড়ুন
এ ছাড়া মাদক মামলায় ৭৯ জন মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ৪৬ জন মাদক ব্যবসায়ীসহ অভিযানে মোট ১২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫০ জনকে কারাদণ্ড এবং ৯ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় ৩৬টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
অভিযানে ২০ হাজার ৪৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫০ কেজি ৬৭ গ্রাম গাঁজা, ২৭ লিটার ৫০০ মিলিলিটার চোলাই মদ, ১০ বোতল বিদেশি মদ এবং ১১ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৩৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলায় সর্বোচ্চ ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৫ জন, নোয়াখালীতে ২ জন, রাঙামাটিতে ২ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ জন, ফেনীতে ১ জন এবং খাগড়াছড়িতে ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪১০ জনের মধ্যে ২২৪ জনকে মুচলেকায় অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৮৬ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ১৬২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া লক্ষ্মীপুরে ৫৭ জন, নোয়াখালীতে ৪৫ জন, চট্টগ্রামে ২৫ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ জন, কক্সবাজারে ১২ জন, ফেনীতে ১২ জন, খাগড়াছড়িতে ৯ জন, রাঙামাটিতে ৭ জন এবং চাঁদপুরে ৬৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
জনস্বার্থে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রিফাত/
আরও পড়ুন
শাহ আমানত বিমানবন্দরে ১৪৮২ গ্রাম স্বর্ণসহ যাত্রী আটক
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা ফেরত যাত্রী মো. শরীফের ব্যাগ থেকে ১ হাজার ৪৮২ গ্রাম স্বর্ণের চুড়ি ও অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৮৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক মো. শরীফ নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকার বাসিন্দা। শরীফ মানিক ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস হজ কাফেলার একজন সদস্য।
আরও পড়ুন
জানা গেছে, রবিবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এর ফ্লাইট বিজি-১৩৬ চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরের অ্যারাইভাল হলের ১ নং ব্যাগেজ বেল্ট এরিয়ায় শরীফের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিমানবন্দরে দায়িত্বরত ডিজিএফআই, এনএসআইসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা ও বিমানবন্দর কাস্টমস তাকে তল্লাশি করে। এ সময় তার হ্যান্ড ব্যাগেজ ও জামা থেকে ১৪৮২ গ্রাম ওজনের গোল্ড (চুড়ি অলংকার) উদ্ধার করা হয়।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, ১৪৮২ গ্রাম স্বর্ণ থেকে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। উদ্ধার স্বর্ণের চালানের পরিমাণ নির্ণয়ের পরে বিমানবন্দর কাস্টমস এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। স্বর্ণ পরিবহনে জড়িত ও আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে চোরাচালান আইনে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃক মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন
রিফাত/
আরও পড়ুন
কানাইঘাটে ২৪ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->সিলেটের কানাইঘাট ও জৈন্তাপুর সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৪ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ করেছে ১৯ বিজিবি। এর মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকর ‘স্কিন সাইন’ ক্রিম।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
বিজিবি জানায়, রবিবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ১৯ বিজিবির অধীন সুরাইঘাট বিওপির একটি বিশেষ টহল দল কানাইঘাট উপজেলার বাদশাবাজারে অভিযান চালায়। এ সময় ২৮০০ পিস ভারতীয় ‘স্কিন সাইন’ ক্রিম, ৩০০০ পিস চশমা এবং ২৪০ কেজি চা-পাতা জব্দ করা হয়। জব্দ করা এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ লাখ ২০ হাজার টাকা।
আরও পড়ুন
এর আগে রাতে জৈন্তাপুর বিওপির পৃথক অভিযানে সীমান্ত এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ২৭০ প্যাকেট ভারতীয় জিরা এবং ৪০০ কেজি টমেটো জব্দ করা হয়, যার সিজার মূল্য ৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। দুই অভিযানে মোট ২৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকার চোরাইপণ্য জব্দ করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান রোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জব্দ করা মালামাল কাস্টমসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
আরও পড়ুন
উল্লেখ্য, বিশেষজ্ঞদের মতে, জব্দ করা এসব ভারতীয় ক্রিম সাধারণ কোনো ফর্সাকারী ক্রিম নয়। এতে থাকা উচ্চমাত্রার ক্ষতিকর রাসায়নিক ত্বকের মারাত্মক ক্ষতিসহ স্থায়ী ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি করে।
এএফ/
আরও পড়ুন
সীতাকুণ্ডে স্কুলে যাওয়ার পথে ছাত্রীকে ছুরিকাঘাত, স্বর্ণালংকার ছিনতাই
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
আহত শিক্ষার্থী। ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে প্রাইভেট পড়তে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ছুরিকাঘাত করে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুখোশধারী দুই যুবকের বিরুদ্ধে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার জাফরনগর অপর্ণাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে নুনাছড়া জাফরনগর সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষার্থী নাফিয়া সুলতানা তনিমা (১৬) ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা প্রবাসী জহুরুল আলম মাস্টার। তাদের বাড়ি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নুনাছড়া এলাকার নজর আলী মিস্ত্রির বাড়িতে।
আরও পড়ুন
নাফিয়ার অভিযোগ, সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আসা দুই যুবক তার পথরোধ করে। প্রথমেই তার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। পরে তারা তার গলার স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেয়। এরপর বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দিয়ে ছুরি দিয়ে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। আহত অবস্থায় নাফিয়া দৌড়ে স্কুলের দিকে যাওয়ার পথে অজ্ঞান হয়ে রাস্তায় পড়ে যায়। তখন স্থানীয়রা পরিবারে খবর দিলে
আহত অবস্থায় নাফিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তার মা। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
আরও পড়ুন
নাফিয়া জানায়, হামলাকারীদের মুখে মাস্ক ও মাথায় ক্যাপ থাকায় তাদের চিনতে পারেনি সে। তবে এর আগে একই যুবকেরা একাধিকবার তার পথ আটকে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিষয়ে জানতে চেয়েছিল বলে দাবি তার। সে সময় তাকে গালাগাল করার পাশাপাশি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে না জানানোর জন্য হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য, আগের ঘটনাগুলো সে ওই শিক্ষককে জানিয়েছিল। সেই তথ্য হামলাকারীদের কাছে পৌঁছানোর কারণে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে এ হামলা চালিয়ে থাকতে পারে বলে তার ধারণা। তবে আগের ঘটনাগুলোর সঙ্গে এ হামলার যোগসূত্র রয়েছে কি না, কিংবা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়াই হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নাফিয়ার বাবা জহুরুল আলম মাস্টার বলেন, “গ্রামের ভেতরে যদি মেয়েরা নিরাপদ না থাকে, তাহলে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? আমি আমার মেয়ের নিরাপত্তা চাই। তা না হলে তো তাদের স্কুল বন্ধ করে দিতে হবে।” তিনি জানান, এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হবে।
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহিনুল ইসলাম বলেন, তারা ঘটনাটি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছেন। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। মেয়েটির ভাষ্য অনুযায়ী, দুই যুবক এর আগে দুই-তিনবার তার পথ আটকে থাকতে পারে। এ কারণে তাদের সঙ্গে তার পূর্বপরিচয় রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের পাশেই কয়েকজন কৃষক মাঠে কাজ করছিলেন। মেয়েটি সাহায্য চাইলে তাঁরা এগিয়ে আসতে পারতেন বলে পুলিশের ধারণা। তাই সব দিক বিবেচনায় নিয়ে পুলিশ প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
মুসলেহ উদ্দীন/এসএন
