

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর আগে গতকাল সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন আহমেদ আযম খান।
ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ফলে সরকারের প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে, আর প্রধানমন্ত্রীসহ পূর্ণ মন্ত্রী আছেন ২৭ জন। এর আগে দুইজন পূর্ণমন্ত্রী পদত্যাগ করেন। এর মধ্যে দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী এবং জহির উদ্দিন স্বপন তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
দুর্গাপূজার শিক্ষা হোক সত্য প্রতিষ্ঠা ও অন্যায় দূর করার প্রেরণা: এলজিআরডি মন্ত্রী
দুর্গাপূজার শিক্ষা থেকে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং অন্যায়-অবিচার দূর করার প্রেরণা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, পৃথিবীতে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে এবং অন্যায়-অবিচার দূর করতে মানুষকে নিরন্তর সংগ্রাম করতে হয়। মা দুর্গার শিক্ষা মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রেরণা জোগায়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি আবাসন পূজা কমিটির আয়োজনে দুর্গাপূজা পরিদর্শন ও মহাষ্টমীর শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শারদ সংকলন ‘সৌহার্দ-১৪৩৩’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন। ড. আবদুল মঈন খান বলেন, দুর্গাপূজা বাংলার আবহমান সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আধুনিকতার প্রভাবে এ অঞ্চলের দুর্গাপূজার ঐতিহ্যবাহী বৈশিষ্ট্য যেন হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। পূজার আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি সংগীত, নৃত্যসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের বহিঃপ্রকাশ। এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা সবার দায়িত্ব। ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত পরিচয়ের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে হবে। কে কোন ধর্মের বা বর্ণের, সেটি বড় বিষয় নয়; আমরা সবাই বাংলাদেশি—এটাই আমাদের গর্বের পরিচয়। তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের যে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছিলেন, সেই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের চেতনাকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে বাংলাদেশি পরিচয়ে গর্বিত হয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাবে এবং সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করবে—এটাই প্রত্যাশা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে শান্তি ও সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আজিমপুর সরকারি আবাসন পূজা কমিটি-২০২৬-এর সভাপতি বিশ্বজিৎ বৈশ্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা নিশীতা, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সাবেক সদস্য শ্রী সমর চন্দ্র পাল এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার গোলাম সারোয়ার ভূইয়া।

জ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাত দেশের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বিগত সরকারের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রাজস্ব ঘাটতি, ব্যাংক খাতের বিশৃঙ্খলা এবং বিদেশে ডলার পাচারের মতো গভীর সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত ‘Sustainable Power and Energy: Driving Investment in Bangladesh’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অর্থনৈতিক সংস্কারে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন মন্ত্রী। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর অব্যাহতি ও প্রণোদনা সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বাসাবাড়ি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ স্বাভাবিক ট্যারিফের চেয়ে বেশি দামে কিনে নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চায় সরকার। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্থলভাগ ও সমুদ্র এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, চুক্তিভিত্তিক অনুসন্ধানের পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে তিন থেকে চারটি নতুন ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এ উদ্যোগে কোরীয়, চীনা ও মার্কিন বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, মাতারবাড়ীর পাশাপাশি খুলনার কাছে ২০ মিটার ড্রাফটের উপযোগী একটি নতুন স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) খালাসের সুবিধাসম্পন্ন আধুনিক টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে একটি জ্বালানি হাব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নীতি প্রণয়ন ও নীতি বাস্তবায়ন—এই দুই ভাগে বিভক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আমির খসরু। তাঁর মতে, এর ফলে নীতি প্রণয়নে স্বার্থের সংঘাত কমবে এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজার পুনর্গঠনের পাশাপাশি ব্যবসার ব্যয় কমিয়ে ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ বা ডিরেগুলেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, হংকংয়ের পুঁজিবাজারে বাংলাদেশের জন্য একটি নির্দিষ্ট ইকুইটি ফান্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজার ও বন্ড খাতে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আসবে বলে সরকার আশাবাদী। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, যৌক্তিক সময়ের মধ্যে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়ে উঠবে। এরপর অর্থনীতি স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। আলোচনা সভায় প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিস শু শিয়ং, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) প্রশাসক ফজলুল হক। এ ছাড়া এফআইসিসিআইয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: রংপুরে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। দেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে থাকবে সরকার। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রংপুরের পাগলাপীরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে রংপুরের পাগলাপীরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে সৈয়দপুর থেকে রংপুরের সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। কয়েক কিলোমিটার সড়কজুড়ে দেখা যায় উৎসুক জনতার উপস্থিতি। এ সময় হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান তারা। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, সোমবার পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রমজানের প্রথম দিন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, হিজরি সন চাঁদের গতিপথের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রতি বছর ইংরেজি ক্যালেন্ডারে পবিত্র রমজান মাস প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন এগিয়ে আসে। এ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালে রমজান মাস ২০২৬ সালের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন আগে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) রমজান শুরু হতে পারে। সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেলে ওই রাতেই আদায় করা হবে প্রথম তারাবির নামাজ। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে রোজা। তবে রমজানের সূচনা নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর, তাই তারিখটি এখনো চূড়ান্ত নয়। রমজান ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে এবং শাওয়ালের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) ঈদুল ফিতর হতে পারে। ইসলামী হিজরি বর্ষপঞ্জির নবম মাস পবিত্র রমজান মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এই মাসেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়। রমজান মাসে মুসলমানরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও ধূমপান থেকে বিরত থেকে সিয়াম সাধনা করেন। পাশাপাশি ইবাদত-বন্দেগি, নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। ২০২৭ সালের রমজানকে সামনে রেখে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই মুসলিম দেশগুলো মসজিদ ও জনসেবামূলক কাজের প্রস্তুতি নেবে। পাশাপাশি, ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ঘোষণা করবে। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রমজানের সূচনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখাকেই মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
শারদীয় দুর্গোৎসবে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে সকাল ১০টায় তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান। তার সফর ঘিরে রংপুর নগরীসহ পুরো জেলায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সৈয়দপুর থেকে রংপুর মহানগর পর্যন্ত সাজসাজ রব ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুর মহানগরীর রাধা গোবিন্দ মন্দির (রংপুর ধর্মসভা) পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন। রংপুর মহানগর ও জেলা বিএনপির পাশাপাশি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, কৃষক দল, তাঁতী দল, মৎস্যজীবী দল, ওলামা দল, জিয়া সংসদসহ বিভিন্ন সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সৈয়দপুর থেকে রংপুর পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। তার নিরাপত্তায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও পুলিশের পাশাপাশি ৫১ বিজিবির অধিনায়কসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত আছেন। জেলা প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সামরিক বিমানযোগে সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান। বেলা সাড়ে ১২টায় তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরে সামরিক বিমানযোগে রাজশাহী ও পরে চট্টগ্রাম সফর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।


