স্টাফ রিপোর্টার ॥
ভোলায় প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বাংলাবাজার কলেজের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ফুল ও পাঠক্রম পরিকল্পনা তুলে দেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম।
এ সময় তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ করতে চাই। শেখা ও পড়ার কোন বিকল্প নেই। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষার্থীদের উযোগী পাঠদান পরিকল্পনা কমার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। মঙ্গলবার ভোলার বাংলাবাজার কলেজে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে ফুল, ও পাঠ পরিকল্পনা তুলে দেয়ার পাশাপাশি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। তিনি বাংলাবাজার কলেজটির আয়োজন ও জেলায় শিক্ষার মানোন্নয়নে এগিয়ে যাওয়ার প্রশংসা করেন। এদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের হাত থেকে ফুল ও কলেজ্রে পাঠ পরিকল্পনা পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়। শিক্ষার্থীদের বরণ করতে এক ঝাঁক শিক্ষার্থীর কন্ঠে ভেসে আসে “এসো হে নতুন এসো.. এ মাঠির দাওয়ায় বসো …… পরে শিক্ষার্থী ও কলেজের শিক্ষকরা বোর্ড চেয়ারম্যানসহ অতিথিদের ফুল ও স্মৃতি স্মারক তুলে দিয়ে তাদের শুভেচ্ছা জানান। কলেজ অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর আব্দুস সালাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থী ও যুব সমাজকে বিপদগামী করার চক্রান্ত চলছে। চারদিকে মাদকসহ নানা ছোবল দেয়ার হাতছানি দেয়া হচ্ছে। এ সব থেকে শিক্ষার্থীদের দুরে থাকার আহ্বান জানান তিনি। অপর বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চরফ্য্শান সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ উল্যাহ স্বপন, আলতাজের রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জাহান জেব আলম চৌধুরী, সিনিয়র শিক্ষক আবুল বাশার, এবিএম আব্দুস সাত্তার, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মোঃ আশরাফুল, প্রথম বর্ষের সাদিয়া ও ইশরাত জাহান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, কলেজ শিক্ষক ও সাংবাদিক অমিতাভ রায় অপু ও কলেজ শিক্ষক নাজমুল হাসান। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কলেজ শিক্ষক রেহানা ফেরদৌসের নেতৃত্বে কলেজ শিক্ষার্থীরা গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশন করেন। পরে শিল্পী তালহা তালুকদার বাঁধন গান গেয়ে মাতিয়ে রাখেন। অপরদিকে শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান কলেজ চত্বরে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপন করেন। তিনি কলেজের বিভিন্ন দফতর পরিদর্শন করে প্রশংসাপত্রে স্বাক্ষর করেন। এদিকে নবীনবরণ আয়োজনকে ঘিরে সমগ্র কলেজ চত্বরটি মনোরম সাজে সাজিয়ে তোলা হয়ে ছিল। অনুষ্ঠানে কলেজের ৯টি অনার্স কোর্স, ¯œাতক পাস ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থীর ছিল উৎসবমুখর বিচরণ।