চলতি বছরের পুরো সময়ে সৌদি আরবে উচ্চহারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা অব্যাহত রয়েছে। বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় সৌদি মানবাধিকার সংস্থা (ইএসওএইচআর) ১০৮টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য নথিভুক্ত করেছে। এর মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব বিশ্বের সর্বাধিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা বৃদ্ধিতে দেশটির বড় ভূমিকা রাখার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হয়েছে।
বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের
শাসনামলে প্রথম ছয় মাসে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা দুই হাজারে পৌঁছেছে। এটি একটি রেকর্ড সংখ্যা, যা এর আগের শাসনামলগুলোতে নথিভুক্ত মোট সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা ব্যক্তিরা ১৭টি ভিন্ন দেশের নাগরিক। প্রতিবেদনকালে মোট ৫৯ জন বিদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা মোট মৃত্যুদণ্ডের ৫৪ শতাংশ। অন্যদিকে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সৌদি নাগরিকের সংখ্যা ৪৯, যা মোট সংখ্যার ৪৬ শতাংশ।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সৌদি আরব, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান, সুদান, ইয়েমেন, সিরিয়া, জর্ডান, সোমালিয়া, মিশর, নাইজেরিয়া, বেনিন, ইরাক, কুয়েত, কেনিয়া, উগান্ডা, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।
মাদক সম্পর্কিত অপরাধে ৭১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা মোট সংখ্যার ৬৬ শতাংশ। হত্যার অপরাধে ২৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা মোট সংখ্যার ২৩ শতাংশ। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা মোট সংখ্যার ৮ শতাংশ। অন্যান্য মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা মোট সংখ্যার ৩ শতাংশ।
এ ছাড়া কার্যকর করা ১০৮টি মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে ৮৩টি বা ৭৬ দশমিক ৮ শতাংশ এমন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে হত্যা করা হয়নি। আন্তর্জাতিক আইনে ‘সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ’ শব্দবন্ধের যে সীমিত ব্যাখ্যা রয়েছে, তার সঙ্গে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
দণ্ডের ধরন বিবেচনায় ৮৪টি মৃত্যুদণ্ড বিচারকের বিবেচনাধীন শাস্তির ভিত্তিতে কার্যকর করা হয়েছে, যা কার্যকর করা মোট মৃত্যুদণ্ডের ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ।
এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ১০৮টি মামলার মধ্যে ৯১টি মামলার তথ্য ইউরোপীয় সৌদি মানবাধিকার সংস্থা কিংবা অন্য কোনো সংশ্লিষ্ট সংস্থার নজরদারিতে ছিল না বা নথিভুক্ত করা হয়নি। এই মামলাগুলো মোট সংখ্যার ৮৪ দশমিক ২ শতাংশ। এটি অব্যাহত তথ্যের অস্বচ্ছতা এবং মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কঠিন পরিস্থিতি তুলে ধরছে।
ইউরোপীয় সৌদি মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, শৈশবে সংঘটিত কথিত অপরাধের দায়ে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঝুঁকি এখনো রয়েছে। তারা হলেন ইউসুফ আল-মানাসিফ, জাওয়াদ কুরাইরিস, হাসান জাকি আল-ফারাজ, মাহদি আল-মোহসেন ও আলী আল-মাবিউক।
জাতিসংঘের নির্বিচার আটকবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ তাদের কয়েকজনের আটককে নির্বিচার বলে অভিহিত করে মুক্তির আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু তাদের জীবন রক্ষায় কিংবা জাতিসংঘের সুপারিশ বাস্তবায়নে সৌদি কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
ইউরোপীয় সৌদি মানবাধিকার সংস্থা আরও নথিভুক্ত করেছে যে সৌদি আরবের কারাগারগুলোতে এখনও মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত বিপুলসংখ্যক বন্দি রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন খামিস মুশাইত কারাগারের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য নির্ধারিত ওয়ার্ডে আটক ৫৮ জন ইথিওপীয় নাগরিক, নাজরান কারাগারে আটক আরও পাঁচজন ইথিওপীয় ও পাঁচজন সোমালি নাগরিক এবং তাবুক কারাগারে আটক আটজন মিশরীয় নাগরিক।
সংস্থাটি এসব মামলায় ব্যাপক হারে অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পেশাদার দোভাষীর অনুপস্থিতি, আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত করা, বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকা এবং আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কার্যকর সুযোগ না দেওয়া।
সংস্থাটির সাক্ষাৎকার নেওয়া বন্দিরাও জানিয়েছেন, তারা সব সময় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আশঙ্কার মধ্যে বসবাস করছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তারা দেখেছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের কয়েকজনকে অল্প সময়ের জন্য নির্জন কারাবাসে রাখা এবং বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন করার পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আরও ২০ বাংলাদেশির দণ্ড সম্পর্কিত তথ্য অজানা
সম্প্রতি আলোচিত দুই বাংলাদেশি নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর সৌদি আরবের কারাগারে বন্দি আরও ২০ বাংলাদেশি রয়েছেন; যাদের কী ধরনের দণ্ড দেওয়া হয়েছে, তা জানানো হয়নি। সৌদি সরকারের পাঠানো তালিকায় এই বন্দিদের নামের পাশে লেখা রয়েছে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত’। কিন্তু কী ধরনের অপরাধে তাদের কার কত বছরের কারাদণ্ড হয়েছে, কারও মৃত্যুদণ্ড হয়েছে কিনা কিংবা অন্য কোনো শাস্তি দেওয়া হয়েছে কিনা—এসংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়নি। ফলে দণ্ডিত এসব বাংলাদেশির সাজার বিস্তারিত জানে না জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট। সম্প্রতি দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের মতো অন্য বাংলাদেশিদের ভাগ্য অনিশ্চিত থাকায় সাজার বিস্তারিত জানতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট।
গত ১৯ অক্টোবর জেদ্দায় অবস্থিত সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা আঞ্চলিক শাখায় এ চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে দণ্ডিত বাংলাদেশিদের রায়ের সারসংক্ষেপ ও সাজার বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট। কনস্যুলেটের ভাষ্য, বাংলাদেশি নাগরিকদের যথাযথ কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করা এবং তাদের বিষয়ে তথ্যভাণ্ডার হালনাগাদ রাখার জন্য এসব তথ্য জরুরি।
কনস্যুলেট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৪৬১ বাংলাদেশি বন্দির একটি তালিকা পাঠায়। জেদ্দা কনস্যুলেটের কর্মপরিধির আওতাধীন বিভিন্ন কারাগারে থাকা এসব বন্দির মধ্যে কারও বিচার শেষ হয়েছে, আবার কারও মামলা বিচারাধীন। তালিকাটি পর্যালোচনা করে কনস্যুলেট দেখতে পায়, ২২ জনের ক্ষেত্রে ‘অবস্থা’ কলামের ঘরে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত’ লেখা থাকলেও ‘রায়ের সারসংক্ষেপ’ কলামে কোনো তথ্য নেই। অর্থাৎ তাদের কী অভিযোগে কী ধরনের সাজা দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট ছিল না। এই বন্দিদের তালিকায় আলোচিত নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের নামও ছিল; কিন্তু তালিকায় রায়ের সারসংক্ষেপের ঘরে তাদের অপরাধ ও সাজার ধরন সম্পর্কে তথ্য না থাকায় এ দুজনের মৃত্যুদণ্ড ঠেকাতে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি কনস্যুলেট। এখন তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় সাজা সম্পর্কিত তথ্য না থাকা বাংলাদেশির বন্দির সংখ্যা দাঁড়াল ২০ জনে।
এই অবস্থায় গত ১৯ অক্টোবর পাঠানো চিঠিতে সৌদি কর্তৃপক্ষকে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে এ বন্দির মামলার রায়ের সারসংক্ষেপ দ্রুত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত নয় পাতার তালিকায় নজরুল ও সুইটিসহ ওই ২২ বাংলাদেশির বিবরণ রয়েছে।
কনস্যুলেটের সূত্রগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২২ বাংলাদেশি মধ্যে আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় বিচার হয়েছে। পাঁচজনের বিরুদ্ধে মাদক পাচার এবং পাঁচজনের বিরুদ্ধে ‘ব্যক্তিগত অধিকার’সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। এ ছাড়া দুজনের মামলা রাষ্ট্রীয় আইন লঙ্ঘনের, একজনের সাইবার অপরাধের এবং একজনের ব্যভিচারসংক্রান্ত। তাদের মধ্যে ছয়জন জেদ্দার জাহবান কারাগারে, ছয়জন শুমাইসি কারাগারে এবং চারজন জেদ্দা জেনারেল কারাগারে রয়েছেন। বাকি ছয়জন নাজরান, খামিস, আল-বাহা, হাদ্দাহ ও জেদ্দার নারী কারাগারে বন্দি। তাদের মধ্যে নজরুল ও সুইটির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
তালিকায় আরেকটি উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো, ‘ব্যক্তিগত অধিকার’সংক্রান্ত মামলায় দণ্ডিত পাঁচজনই শুমাইসি কারাগারে রয়েছেন। সাধারণত এ ধরনের মামলা ব্যক্তিগত দাবি বা ক্ষতিপূরণসংক্রান্ত হতে পারে। তবে নির্দিষ্ট অভিযোগ ও রায়ের বিবরণ না থাকায় তাদের মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। মামলার ধরন দেখে কারও চূড়ান্ত সাজা সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। সৌদি আরবে হত্যা মামলায় কিসাসের আওতায় মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। আবার মামলার পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী রক্তপণ, ক্ষমা বা অন্যভাবে মামলার নিষ্পত্তির সুযোগও থাকতে পারে। তাই অবশিষ্ট ২০ বাংলাদেশির কারও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে কিনা— তা রায়ের তথ্য ছাড়া নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
নজরুল-সুইটির ঘটনার পর বিশেষ উদ্যোগ : সম্প্রতি সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশ্যে আসার পর বন্দি বাংলাদেশিদের আইনি অবস্থা সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। রায়ের বিস্তারিত জানা না থাকলে কোনো বন্দির আপিলের সুযোগ আছে কিনা— আইনজীবী নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে কিনা কিংবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে রক্তপণ বা ক্ষমার উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব কিনা-তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এতে একদিকে যেমন কনস্যুলেটের পক্ষে কার্যকর আইনি ও কনস্যুলার সহায়তা দেওয়া বাধাগ্রস্ত হয়, অন্যদিকে দেশে থাকা বন্দিদের স্বজনরাও অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন। বিশেষ করে গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রায়ের তথ্য সময়মতো পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর এ বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট।
২ হাজার ৪৬১ বন্দির বিষয়ে পাঁচ দফা উদ্যোগ : শুধু ২২ জনের সাজার তথ্য চাওয়াই নয়, ১৯ অক্টোবর সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো আরেকটি চিঠিতে ২ হাজার ৪৬১ বাংলাদেশি বন্দির বিষয়ে কয়েকটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে কনস্যুলেট। চিঠিতে মেয়াদ শেষ হওয়া বন্দিদের দ্রুত মুক্তি দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো, ভালো আচরণ করা বন্দিদের রাজকীয় ক্ষমার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা, প্রথমবার আটক হওয়া এবং ছোটখাটো অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের অবশিষ্ট সাজা মওকুফের বিষয় বিবেচনা করা এবং বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কনস্যুলেটের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো, সৌদি আরবে বন্দি বাংলাদেশিদের আইনি অবস্থার উন্নতি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সাজা হ্রাস বা মুক্তির সুযোগ তৈরি এবং তাদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সহজ করা।
নিখোঁজ অবস্থান নিয়ে দুই বাংলাদেশির পরিবার : এদিকে, আরও দুজন বাংলাদেশির বিষয়ে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে জেদ্দা কনস্যুলেট। তাদের পরিবারের সদস্যদের দাবি, সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে; কিন্তু কী কারণে তাদের আটক করা হয়েছে কিংবা কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে পরিবারগুলো কিছুই জানে না। এ অবস্থায় তাদের গ্রেপ্তারের কারণ, অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট মামলার তথ্য জানতে সৌদি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছে কনস্যুলেট।
