ডেস্ক রিপোর্ট :: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমকে তাঁর কার্যালয়ের ভেতরে অবরুদ্ধ করে ভবনের মূল ফটকে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ত্যাগের আলটিমেটাম দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বের না হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেন তারা।
এতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন উপাচার্য হয়ে তালা ভেঙে গোপনে ভবনে প্রবেশ করা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও অপ্রত্যাশিত।
গত ২২ দিন ধরে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো খোঁজ নেননি, শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার উদ্যোগ নেননি। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম মাত্র ৫৬ দিন দায়িত্ব পালনের পর তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তাঁকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে, উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম সংবাদিকদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা নিরসন করে দ্রুত ক্লাস ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ জন্য শিক্ষক, বিভিন্ন অনুষদের চেয়ারম্যান ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি।
ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের (ডিএসডব্লিউ) দপ্তরের মাধ্যমে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ১০ থেকে ১৫ জন প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাবও দিয়েছেন অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম। তাঁর মতে, আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই চলমান সংকটের সমাধান সম্ভব।
গত ২১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি পালন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবি, অধ্যাপক সায়েমকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
