মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. কৃষ্ণ দাস বিশ্বাস জানান, বেলা দেড়টার দিকে ময়নাতদন্তের সময় শাকের হোসেনের মাথা থেকে একটি ছোট আকারের গুলি বের করা হয়েছে।’
মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাকের হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পরে তাদের সন্দেহ হলে গতকাল দুপুরে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিলে ময়নাতদন্তের সময় নিহতের মাথা থেকে একটি গুলি উদ্ধার করেন চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় হত্যার কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিকে হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে তাৎক্ষণিকভাবে ঘণ্টাব্যাপী ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ এবং শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. কৃষ্ণ দাস বিশ্বাস জানান, বেলা দেড়টার দিকে ময়নাতদন্তের সময় শাকের হোসেনের মাথা থেকে একটি ছোট আকারের গুলি বের করা হয়েছে।’
মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, ময়নাতদন্তে যুবদল নেতা শাকের হোসেনের মাথায় একটি গুলি পাওয়া গেছে। পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ প্রযুক্তিগত ও প্রচলিত পদ্ধতিতে তদন্ত চালাচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানানো সম্ভব হবে।
গতকাল ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে শাকের হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা তাকে কাউন্টারের ভেতরে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার মাথার পেছনে ছিদ্রের একটি চিহ্ন দেখতে পান চিকিৎসকরা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। নিহত শাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি মাগুরা পৌর যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
