ঘরের মাঠে শুরুতেই গোল, এরপর প্রতিপক্ষের লাল কার্ডের সুযোগ কাজে লাগিয়ে জয় নিশ্চিত করেছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে মাইকেল ক্যারিকের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে দিয়েগো সিমিওনের দল। ম্যাচের ৪৭ সেকেন্ডেই গোল করেন পাবলো ব্যারিওস। পরে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নাইজেরিয়ান উইঙ্গার আদেমোলা লুকমান।
ম্যাচে বল দখলে ৫৮ শতাংশ আধিপত্য ছিল অ্যাতলেটিকোর। গোলের লক্ষ্যে স্বাগতিকরা শট নেয় পাঁচটি, বিপরীতে ইউনাইটেডের শট ছিল চারটি। আক্রমণে কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি ইংলিশ ক্লাবটি।
ম্যাচ শুরুর মাত্র ৪৭ সেকেন্ডেই এগিয়ে যায় অ্যাতলেটিকো। প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলাতে গিয়ে ইউনাইটেডের রক্ষণে তৈরি হওয়া ফাঁক কাজে লাগিয়ে সতীর্থের পাস থেকে বল পেয়ে জালে পাঠান ব্যারিওস। চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি অ্যাতলেটিকোর দ্বিতীয় দ্রুততম গোল। গত বছর ২৭ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন কনর গালাঘার।
২৭তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকরা। তবে গ্রিমালদোর বাঁকানো শট পোস্ট ও ক্রসবারের সংযোগস্থলে লেগে ফিরে আসে। দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের সুযোগ তৈরি করে অ্যাতলেটিকো। হুলিয়ান আলভারেজের শট পোস্টে লেগে ফেরে। অন্যদিকে, ইউনাইটেডের ব্রুনো ফার্নান্দেজও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয় তাঁর। পরে তাঁর আরেকটি জোরালো শট ক্রসবারে লাগে।
ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় ইউনাইটেড। অ্যাতলেটিকোর লুকমানকে পেছন থেকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার লেনি ইউরো। ফলে শেষ দিকে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় ক্যারিকের দলকে।
এর পাঁচ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুকমান। ডেভিডের শট গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলেও বিপদ কাটেনি ইউনাইটেডের। ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসে জালে পাঠান নাইজেরিয়ান উইঙ্গার। এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়নি সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অ্যাতলেটিকো।
এই জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয়ের ধারা ধরে রাখল সিমিওনের দল। অন্যদিকে, ইউনাইটেডের জয়হীন থাকার ধারাও বেড়ে দাঁড়াল পাঁচ ম্যাচে। চ্যাম্পিয়নস লিগে দুই ম্যাচ শেষে দুই দলেরই পয়েন্ট তিন। তবে গোল ব্যবধানে তালিকার সপ্তম স্থানে রয়েছে ইউনাইটেড, আর অ্যাতলেটিকোর অবস্থান ১৩তম।
এমএস/
