শহরাঞ্চলের হাসপতালগুলিকে ‘আদর্শ’ হিসেবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্যকর ও দূষণমুক্ত রাখা প্রযোজন। এই বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে বলে শুক্রবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে অগ্নিমিত্রা পালের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে। পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার জন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত অজৈব বর্জ্য পদার্থ নিয়মিত পরিষ্কারের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু প্রস্তাবও।
বলা হয়েছে, ১. অজৈব বর্জ্য ফেলার জন্য হাসপাতাল চত্ত্বরে একটি নির্দিষ্ট গর্ত করতে হবে। সেখান থেকে পুরসভার কর্মীরা নিয়মিত আবর্জনা সংগ্রহ করবেন। ২. বহির্বিভাগ-সহ হাসপাতালের বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় বিভিন্ন রঙের ডাস্টবিন রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। আলাদা আলাদা রঙের ডাস্টবিন নির্দিষ্ট থাকবে আলাদা আলাদা ধরনের বর্জ্য পদার্থের জন্য। ৩. নিয়মিত ও নিয়ম মেনে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের কথাও বলা হয়েছে। বর্জ্য সংগ্রহের কারণে স্বাস্থ্যবিধি যাতে না ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেই বিষয়য়ে বাড়তি নজর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ৪. হাসপাতাল চত্বরের পরিচ্ছন্নতা সার্বিক ভাবে নিশ্চিত করার জন্য নজর দিতে বলা হয়েছে সংলগ্ন রাস্তা ও নর্দমা সংস্কারের দিকে। ৫. আগাছা, ঝোপ পরিষ্কার ও প্রয়োজন মতো গাছের ডালপালা ছাঁটাই করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। ৬. সমস্ত প্রস্তাবের বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় নোডাল অফিসারদের নম্বর দেওয়ার কথাও বলাও হয়েছে। যাতে সহজেই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ও মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষেরা ওই আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
(বাঁ দিকে) অগ্নিমিত্রা পাল এবং শারদ্বত মুখোপাধ্যায় (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।
প্রসঙ্গত, শহরাঞ্চলের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালগুলিকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব অনেকটাই বর্তায় সংশ্লিষ্ট পুরসভার উপরে। তাই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের তরফে নগরোন্নয়ন দফতরকে চিঠির মাধ্যমে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে দ্রুত পদক্ষেপ করার কথাও।
