একমাত্র ছেলে। প্রায় মদ্যপ অবস্থায় অত্যাচার চালাতেন বৃদ্ধ মা-বাবার উপর। মদ খাওয়ার টাকা না মিললে চলত বাড়ি ভাঙচুর। বুধবার বিকেলেও অত্যাচার শুরু করেন তিনি। তখনই আত্মরক্ষার্থে ছেলেকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন বৃদ্ধ বাবা। তখনই আঘাত লাগে মাথায়। সেই আঘাতে মৃত্যু ছেলের। ঘটনার বাকরুদ্ধ মা। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ (Bangaon) ঠাকুরনগরে। তদন্তের স্বার্থে বৃদ্ধ বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়।
পুলিশ ও প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম সুমন বিশ্বাস। বয়স ৩০। তিনি পেশায় রং মিস্ত্রি ছিলেন। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধ বাবা-মা। সুমন গাইঘাটার ঠাকুরনগরের বড়া কৃষ্ণনগর গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের অভিযোগ, মদ্যপানের টাকা না পেলে মা-বাবার উপর অত্যাচার চালাতেন সুমন। দীর্ঘদিন ধরেই এই অত্যাচার তলত। সেই অত্যাচারে তটস্থ থাকতেন বৃদ্ধ মা-বাবা।
প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, বুধবারও মদ্যপ অবস্থায় সুমন এ দিন বাড়িতে আসেন। চড়াও হন বৃদ্ধ বাবা সুমন্ত বিশ্বাসের উপর। শুরু হয় মারধর ও অত্যাচার। হৃদরোগের রোগী সুমন্ত আত্মরক্ষায় হাতের কাছে থাকা লাঠি দিয়ে ছেলেকে আঘাত করেন। সেই আঘাত লাগে সুমনের মাথায়। সেই আঘাতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সুমন। পরে তাঁর মৃত্যু হয় বলে দাবি প্রতিবেশীদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় গাইঘাটার থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে। আটক করা হয়েছে মৃতের বাবাকে।
