কালবেলা · সাধারণ
বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪: পরিচয় মিলেছে ৯ জনের
২০/১০/২০২৬

নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৯ জনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ, বাকিদের পরিচয় উদঘাটনে চেষ্টা চলছে।
এর আগে, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন সরকারপাড়া এলাকায় এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
নাটোর জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শনাক্ত হওয়া নিহতরা হলেন- রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিশু আহুদিয়া (৮), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার সামাদ (৭০), জুয়েল (৪০), জহুর উদ্দিন, শামলাল মোল্লা (৪৫), কাশেম (৩৫), জাহান উদ্দিন মোল্লা এবং দুর্ঘটনাকবলিত আরপি পরিবহন বাসের চালক মো. সোহেল রানা (তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা)।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘আরপি পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে কুড়িগ্রাম থেকে পাবনাগামী একটি বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৯ জন যাত্রী মারা যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়।
বাসের যাত্রী আব্দুস সালাম জানান, বাসটিতে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী ছিলেন। চালক অত্যন্ত দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন এবং ঘন ঘন ব্রেক কষছিলেন। অনিয়ন্ত্রিত গতির কারণেই এই বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
বনপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম হোসেন জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালায়। স্থানীয় বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহতদের ভর্তি করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗