Published on
:
2 min read
‘প্রদীপ জ্বেলে নিলাম তোমায় বরণ করে...’
যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানে অতিথিকে বরণ করে নেওয়ার রেওয়াজ নতুন নয়। বরণডালা সাজিয়ে তিন বার ঘুরিয়ে কপালে চন্দন বা সিঁদুরের টিকা পরানোই নিয়ম। কিন্তু সেই টিকা নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে যত ‘টিপ্পনী’। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে বরণডালা থেকে টিকা পরতে অস্বীকার করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ফারহা খান। ‘থালি গার্ল’ কপালে টিকা দিতে এলে প্রথমে তিনি বাধা দেন। পরে সটান তাঁর দিকে ডান হাত এগিয়ে দেন ফারহা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে কটাক্ষের বন্যা।
তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং ও কটাক্ষের ঝড়ের মাঝেই এ বার ‘ম্যায় হু না’ পরিচালকের সমর্থনে এগিয়ে এলেন নেটিজ়েনদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক আচার কে কী ভাবে পালন করবেন, তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। কোনও সামান্য ঘটনাকে অহেতুক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় রং দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি না কারই ভালো। পরিচালকের সমর্থনে এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লেখেন, ‘অনেকেই গায়ে ফুল দেওয়া বা কপালে ছোঁয়ানো পছন্দ করেন না, এটা তো ব্যক্তিগত বিষয়। এতে খারাপের কিছু নেই।’ অন্য একজন ব্যবহারকারী লেখেন, ‘কাউকে জোর করে হিন্দু বা কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহ্য মানাতে বাধ্য করা যায় না। কার কোনটা পছন্দ বা কে কী পরবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার সবার রয়েছে।’
ফারহা খানের সমর্থকরা প্রশ্ন তুলেছেন যে, প্রথাগত অভ্যর্থনার একটি অত্যন্ত সাধারণ পারস্পরিক আদান-প্রদানকে কেন এ ভাবে বড় বিতর্ক এবং সাম্প্রদায়িক ইস্যু বানিয়ে তোলা হচ্ছে? কপালে তিলক না নিলেও ফারহা অত্যন্ত নম্রভাবে সম্মান জানিয়ে হাতের উপর সেই তিলক গ্রহণ করেছেন, যা সম্পূর্ণ সংবেদনশীল একটি আচরণ। তাই অন্যকে অসম্মান না করে নিজের ব্যক্তিগত সীমারেখা বা স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখার অধিকার সবারই থাকা উচিত বলে সওয়াল করছেন অনুরাগীরা।