ছবির ক্যাপশন: .
সাকিবুল হাছান
প্রাথমিক একটি গোয়েন্দা মূল্যায়ন ফাঁস হওয়ার পর, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলাগুলো ব্যর্থ হয়েছে, সিআইএ পরিচালক ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক পরবর্তীতে বিবৃতি দিয়ে জানান, নতুন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কয়েক বছর পিছিয়ে গেছে।
ধারণা করা হচ্ছে, ওই ফাঁস করা তথ্য ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আবার যুদ্ধের পথে উসকে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা। কিন্তু আপাতত প্রেসিডেন্টের প্রকাশ্য বিবৃতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি সংঘাতে ফিরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা রাখেন না।
তিনি এমনকি ইরানিদের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসা নিয়েও তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। তাঁর দৃষ্টিতে, সেই কর্মসূচি ইতোমধ্যেই ধ্বংস হয়ে গেছে।
এই প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আগামী সপ্তাহে ঘোষিত আলোচনার জন্য কিছুটা আশার সঞ্চার হয়েছে।
তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান আলোচক স্টিভ উইটকফ বারবার তার সাক্ষাৎকারে বলে যাচ্ছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অপরিবর্তিত: শূন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ-একটি শর্ত, যা ইসরায়েল কৌশলে পারমাণবিক আলোচনা প্রক্রিয়ায় ঢুকিয়েছিল, যেন ইরান তা কখনো মেনে না নেয়।
সেই শর্ত যদি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এখনো "রেড লাইন" হিসেবে বজায় থাকে, তাহলে তা যুদ্ধ চায় এমন পক্ষগুলোর জন্য একটি সুযোগ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
আল-জাজিরা
