Published on
:
2 min read
প্রায় ৩০ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে একের পর এক কাজ করে গিয়েছেন তিনি। যে সময়টা সব কিছু থেকে দূরে ছিলেন আমির খান। অভিনেতার উন্নতির জন্য সবচেয়ে বেশি স্যাক্রিফাইজ় করেছে তাঁর পরিবার। সেই দিনের কথা বলতে গিয়ে চোখে জল এসে গিয়েছে অভিনেতার। তবু কাজের জন্য সব কিছু পরিত্যাগ করতে হয়েছিল তাঁকে।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নিজের জীবন ও কাজ নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেতা। কোভিডের সময়ে যখন ঘরে বসেছিলেন, তখন বুঝতে পেরেছিলেন অভিনয় জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত কোনটি। আমির বলেন, ‘মহামারীর সেই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল আমি জীবনের প্রায় ৩০ বছর পেরিয়ে এসেছি। কোনও একটা কাজে এক বছর, দু’বছর, পাঁচ বছর ডুবে থাকা যায়, কিন্তু ৩০ বছর ধরে চলতে থাকলে সম্পর্কগুলো হারিয়ে যায়। সেই সময়ে মনে হয়েছিল সন্তানেরা বড় হয়ে গিয়েছে। তারা সকলেই প্রাপ্তবয়স্ক। তাই মনে হয়েছিল অনেক কিছুই জীবনে আমি হারিয়ে ফেলেছি।’
ফেলে আসা দিনের কথা বলতে বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আমির। নিজেই দর্শকের কাছে ক্ষমা চেয়ে সব কিছু সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। সেই সময়ে উপস্থিত সকলে হাততালিতে ভরিয়ে দেন। কোনও রকমে চোখের জল মুছে আমির বলেন, ‘৫৬ বছর বয়সে এই উপলব্ধিটা হওয়ায় আমি খুশি। কারণ, তখন হয়তো আর কিছুই করার থাকত না।’
নিজের কেরিয়ারের শুরুর দিকের বেশ কিছু অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন আমির। তাঁর প্রথম ছবি ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ ভীষণ ভাবে সফল হয়েছিল। একটা সময়ে একসঙ্গে অনেক সিনেমায় সই করে ফেলেছিলেন অভিনেতা। পরে বুঝতে পেরেছিলেন এই সিদ্ধান্ত সঠিক নয় তাঁর জন্য।
একটা সময়ে একের পর এক ছবি ফ্লপ হতে থাকে আমিরের। সেই পরিস্থিতিতে কঠিন মানসিক অবস্থার কথা বোঝাতে গিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘একটা সময়ে মনে হতো যেন স্রোতের অতলে ডুবে যাচ্ছি। তবু চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলাম শুধু মনের জোরে।’
