দুর্গাপূজা ঘিরে টানা ৫ দিনের ছুটিতে সৈকত থেকে পাহাড়, সবখানেই উপচে পড়া ভিড়। সমুদ্রতীরের কক্সবাজার, কুয়াকাটা এবং পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে লাখো পর্যটকের ঢল। হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টে শতভাগ বুকিং হওয়ায় মন্দা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
দুর্গাপূজার উৎসবের আমেজ আর টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে সাগরকন্যা কক্সবাজারে এখন পর্যটকের ঢল। সকাল থেকে সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়।
সাগরের ঢেউয়ে ভাসার পাশাপাশি দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন দেখতে সমুদ্রতীরে ভিড় করেছেন পর্যটকসহ কক্সবাজারের মানুষ। আর পূজার ছুটিতে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় চার লাখের বেশি পর্যটক আগমনের আশা ব্যবসায়ীদের।
এদিকে বর্ষা পেরিয়ে শরতের রূপের ডালি সাজিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে ট্রলার ভ্রমণ, খাগড়াছড়ির আলুটিলা গুহা আর মেঘের রাজ্য সাজেক ভ্যালির রুইলুই পাড়া - সবখানেই ভিড় করছেন পর্যটকেরা। মেঘলা, নীলাচল ও চিম্বুকের মনোরম পাহাড়ি রূপ উপভোগ করতে চাঁদের গাড়িতে ছুটছেন দর্শনার্থীরা। ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত হোটেল ও কটেজে ফাঁকা নেই কোনো রুম।
পর্যটক সমাগমে হাসি ফুটেছে হোটেল কর্মচারী-নৌকার মাঝিসহ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মুখে।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন রাঙামাটির ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা, হয়রানি রোধ ও সেবা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের জোর তৎপরতা রয়েছে।;
প্রকৃতি আর সাগরের টানে সারা দেশ থেকে এসেছেন পর্যটকেরা। তাদের উৎসব ও উদযাপন স্বচ্ছন্দ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে দিন-রাত ব্যস্ত পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা।
