গঙ্গা চুক্তি নবায়নের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। একই বৈঠকে কমিটিকে জানানো হয়, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করা সম্ভব হবে।
বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে গঙ্গা চুক্তির বিষয়ে সুপারিশ করেছে কমিটি। গঙ্গা নিয়ে বিদ্যমান চুক্তির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে, নাকি নতুন করে চুক্তি নবায়ন করা হবে, তা-ও জানতে চেয়েছে তারা। জবাবে মন্ত্রণালয় জানায়, এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বৈঠকে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ অক্টোবর পাবনার সুজানগরে কমিটির সদস্যদের পরিদর্শনে যাওয়ার কথা জানানো হয়।
এ ছাড়া বৈঠকে জামালপুর জেলার ব্রহ্মপুত্র ও জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন প্রতিরোধ এবং যমুনা নদীর বামতীর, পুরোনো ব্রহ্মপুত্র ও আলাই নদীর তীর প্রতিরক্ষা প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের কথা বলা হয়।
রাজশাহী ও নাটোর জেলার বারনই নদী পুনঃখনন, দূষণমুক্ত ও দখলমুক্ত করা, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে নাফ নদসংলগ্ন পোল্ডার পুনর্বাসন এবং গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন নিয়েও আলোচনা হয়।
কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু, মাজহারুল ইসলাম, মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার, মো. ইজ্জত উল্লাহ, মো. অলি উল্লাহ ও মো. মশিউর রহমান খান অংশ নেন।
বিআলো/শিলি