লজ্জা-হতাশা-উদ্বেগ! মহাশক্তিধর রাশিয়ার বিরুদ্ধে অঘটনের আশা ভারতের কোনও ফুটবলভক্তই দেখেন না। তাবলে ন্যূনতম লড়াই দেবে না? রাশিয়া মহিলা দলের বিরুদ্ধে একেবারে আত্মসমর্পণ করে ০-৮ গোলে হারল ভারতের মেয়েরা। আগের ম্যাচে তবু ০-৪ গোলে হেরে ‘সম্মান’ বজায় রেখেছিল। এই ম্যাচে সেটুকুও ধূলিসাৎ হয়ে গেল সঙ্গীতা বাসফোরদের।
কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে রাশিয়ার বিরুদ্ধে দু’টি প্রীতি ম্যাচ খেলল ভারত। প্রথমটা হেরেছিল ০-৪ গোলে। মহিলা ফুটবলের ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে রাশিয়া রয়েছে ২৭-এ। ভারত ৬৯তম স্থানে। লড়াই নিঃসন্দেহে অসম। সেটা মাঠে বারবার প্রমাণ হল। সবচেয়ে বেশি বোঝা গেল শারীরিক সক্ষমতায়। রাশিয়ার দল গতিতে বারবার পরাস্ত করছিল। গায়ের জোরে ক্রিস্পিন ছেত্রীর দলের মেয়েরা কিছুতেই পেরে উঠছিল না।
রাশিয়ার গোল পেতে লাগল ২১ মিনিট। ভারতের গোলকিপার মোনালিসা দেবীর ভুল কাজে লাগিয়ে গোল করেন ডারিনা। চার মিনিটের ব্যবধানে দূরপাল্লার শটে গোল করলেন মারিন। আবার চার মিনিট পর টিম গেমে গোল ডিয়ানার। এবার কিছুক্ষণের বিরতি। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ফের জালে বল জড়ালেন ডারিনা। প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে ভারতীয় ডিফেন্ডারের ভুলে গোল মারিনের। প্রথমার্ধে ৫ গোল।
দ্বিতীয়ার্ধেও ছবিটা একই রকম। ফের ভুল পাস। ফাঁকা গোলে বল জড়ালেন রাশিয়ার নাতালিয়া। দু’মিনিটের ব্যবধানে ফের একইভাবে নাতালিয়ার গোল। অষ্টম গোলটি এল ৭৪ মিনিটে। গোলকিপার বদলেও লাভ হয়নি ভারতের। গতি, শারীরিক শক্তি থেকে স্ট্র্যাটেজি সব দিকেই অনেক পিছিয়ে ভারত। প্রশ্ন উঠছে, রাশিয়ার মতো মহাশক্তিধর ফুটবল দল এনে এভাবে লজ্জার পরিস্থিতি তৈরি করার কী দরকার ছিল? ভারতীয় মহিলা দল যথেষ্ট শক্তিশালী। তাদের আত্মবিশ্বাসে ধাক্কা লাগবে না তো? তার থেকে সমকক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলা কি উচিত ছিল? নাকি এই ম্যাচের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারবে ভারত?
Full time in Kolkata. #INDRUS
#BlueTigresses #IndianFootball https://t.co/Fhcinnrdor
— Indian Football (@IndianFootball) October 11, 2026

#BlueTigresses #IndianFootball https://t.co/Fhcinnrdor