সাইবার সিকিউরিটি আইনসহ গণমাধ্যম সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন সংশোধনের বিষয়ে জোরপ্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি জানান, গণমাধ্যমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অংশীজন ও সংবাদমাধ্যমের মালিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চলমান রয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে ভোলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, “সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। গণমাধ্যমের প্রধান অংশীজনদের পাশাপাশি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা কীভাবে পেশাগত সুরক্ষা পাবেন এবং একই সঙ্গে সাধারণ নাগরিকরাও যেন নিরাপত্তা লাভ করেন- সে বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে ইতিবাচক ফলাফল আসবে।”
শারদীয় দুর্গোৎসবের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের পূর্ব থেকেই আমরা অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছি। অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হলো, হিন্দু-মুসলিম সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উৎসব উদযাপন করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মের ধর্মপ্রাণ মানুষের সঙ্গে সার্বিক বিষয়ে কথা বলা হয়েছে। কোথাও নিরাপত্তার ন্যূনতম আশঙ্কা থাকলে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। তবে সার্বিক পরিদর্শনে উৎসবমুখর ও অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশ দৃশ্যমান হয়েছে।
অন্যদিকে নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যার ঘটনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি সাংবাদিক কিংবা সাধারণ নাগরিক যাই হোন না কেন, অপরাধীর কোনো ছাড় নেই। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মণ্ডপ পরিদর্শনকালে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) স্থানীয় নেতাকর্মীরা মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।
জেএইচআর
