ভারতে যাওয়ার সময় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার


চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় সন্ত্রাস দমন আইনসহ একাধিক মামলার আসামি মোঃ তাওহীদুল ইসলাম বুখারী (৩৬) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সদস্য বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক ৩টা ২৫ মিনিটে দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তার পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাইয়ের সময় তাকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায় তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানা সন্ত্রাস দমন আইনসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
আটক তাওহীদুল ইসলাম বুখারী টাঙ্গাইল জেলার টাঙ্গাইল থানার আদি টাঙ্গাইল এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ আজাদ বুখারী। তার পাসপোর্ট নম্বর A21193139 এবং ভ্রমণ ভিসা নম্বর VN3569516।
দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের আইসি মোহাম্মদ তুহিন জানান, ভারতে যাওয়ার সময় ওই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা রয়েছে।
গলাচিপায় জেলেদের হামলায় পুলিশসহ আহত ২
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের হামলায় এক পুলিশ সদস্য ও স্পীডবোট চালক আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের বুড়াগৌড়ঙ্গ নদীতে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্য মো. জসিম ও স্পিডবোট চালক মো. শাহজালালকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী ও মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপার পানপট্টি লঞ্চঘাট থেকে আগুনমুখা, তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌড়ঙ্গ নদীতে অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকারের খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল থেকে ট্রলার ও স্পিডবোট নিয়ে মৎস্য বিভাগ এবং পুলিশ অভিযান চালায়। সন্ধ্যার দিকে রতনতী তালতলী এলাকায় বুড়াগৌড়ঙ্গ নদীতে দুটি জাল তুলতে গেলে দ্রুতগামী একটি ট্রলার বৈঠা দিয়ে হামলা করে। হামলায় পুলিশ সদস্য জসিম ও স্পিডবোট চালক মো. শাহজালাল আহত হয়। এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, ‘বুড়াগৌড়ঙ্গ নদীতে একটি ট্রালারে ১০ থেকে ১২জন জেলে অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকার করছিল। তারা নদীতে জাল ফেলে কোথাও লুকিয়ে ছিল। জালগুলো উদ্ধারের সময় হঠাৎ করে দ্রুতগামী একটি ট্রলার উল্টা দিক থেকে এসে কোন কিছু বুঝার আগেই হামলা চালায়। সন্ধ্যা হওয়ায় আমরা কাউকে চিনতে পারিনি। এসময় একজন পুলিশ সদস্য ও স্পিডবোট ড্রাইভার মারাত্মক আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ এ প্রসঙ্গে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান আছে।’

নলছিটিতে ৯৫৩ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া বকুলতলা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৯৫৩ পিস ইয়াবাসহ মো. রাজিব সিকদার (৩৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে এসআই রুম্মান, এএসআই জসিমসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দপদপিয়া বকুলতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মৃত আমির আলী সিকদারের ছেলে রাজিব সিকদারকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৯৫৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করা ইয়াবাসহ নলছিটি থানায় নেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছে। আটক ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও সেতু নেই, সোমেশ্বরীতে থমকে ৫ গ্রামের জীবন
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড়ঘেঁষা সোমেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত হয়নি স্থায়ী সেতু। এতে নদীর দুই তীরে অবস্থিত পাঁচ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষকে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে ভেসে যায় বাঁশের সাঁকো, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যোগাযোগব্যবস্থা। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিক্ষার্থী, কৃষক ও অসুস্থ রোগীদের। দীর্ঘদিনের দাবি ও নানা উদ্যোগের পরও সেতু নির্মাণ না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। তবে দ্রুত সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড়ের পাদদেশে খাড়ামোড়া, রাঙাজান, কোচপাড়া, তাওয়াকুচা ও বালিজুরী গ্রামের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম বাধা সোমেশ্বরী নদী। নদীর ওপর স্থায়ী সেতু না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজেদের উদ্যোগে তৈরি বাঁশ ও কাঠের অস্থায়ী সাঁকু দিয়ে চলাচল করতে হয়। কিন্তু বর্ষা এলেই পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে সাঁকো ভেঙে যায় কিংবা পানিতে তলিয়ে যায়। তখন নৌকা অথবা বুকসমান পানি পেরিয়ে নদী পার হতে হয়। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। সেতুর অভাবে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয় তাদের। বর্ষায় নদী পারাপার বন্ধ হয়ে গেলে ব্যাহত হয় পড়াশোনা। একইভাবে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল ও কৃষিপণ্য বাজারে নিতে বাড়তি পরিবহন খরচ গুনতে হয়। জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগীকে হাসপাতালে নেওয়াও হয়ে পড়ে কঠিন। যোগাযোগব্যবস্থার এমন দুরবস্থায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ‘হান্ড্রেড মিটার’ প্রকল্পের আওতায় সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করা হলেও কারিগরি জটিলতায় তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞ দলের মূল্যায়নে প্রস্তাবিত নকশা ও পরিকল্পনার কিছু দুর্বলতা উঠে আসে। সেতুর আকার বৃদ্ধি এবং নদীর প্রবল স্রোত ও ভাঙনের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দেওয়া হয়। ফলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সেতু নির্মাণের কাজ এখনো শুরু করা সম্ভব হয়নি। শ্রীবরদী উপজেলা প্রকৌশলী মশিউর রহমান বলেন, সেতু নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয়, নকশা ও অনুমোদনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ জানান, নদীর দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও অনুমোদন পাওয়া গেলে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এদিকে শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল জানিয়েছেন, পাঁচ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের বিষয়টি সেতু মন্ত্রণালয়, প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোত ও ভাঙনের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে টেকসই সেতু নির্মাণে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি, আর আশ্বাস নয়, এবার দ্রুত সেতু নির্মাণের কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একটি স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে পাঁচ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও সোমেশ্বরী নদীর ওপর সেতু না থাকায় যে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তার অবসান চান এলাকাবাসী।

দশমিনায় ৪ জেলের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
দশমিনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে চার জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অভিযানে প্রায় ৭০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধার নেতৃত্বে তেঁতুলিয়া নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মৎস্য বিভাগ, নৌপুলিশ ও দশমিনা থানা পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে চার জেলেকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইলিশ সংরক্ষণে নিষিদ্ধ প্রায় ৭০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন দশমিনা উপজেলার ঢনঢনিয়া গ্রামের মো. সাগর রাঢ়ী (২০), মো. ইমরান গাজী (১৯), মো. সোহাগ হোসেন মিয়া (১৯) ও মো. জহির মির (১৯)। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মোঃ মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন সুরক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন এবং অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

লোহাগড়ার মধুমতী নদীতে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত
নড়াইলের লোহাগড়ায় মধুমতী নদীর বুকে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের চরশালনগর গ্রামবাসীর আয়োজনপ এ প্রতিযোগিতায় পাঁচটি নৌকা অংশ নেয়। নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই চরশালনগর এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিযোগিতা দেখতে মধুমতী নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন শত শত মানুষ। নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর ও বয়স্কসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে নদীর দুই তীর দর্শনার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। মাঝিদের বৈঠার ছন্দে একের পর এক নৌকা নদীর বুক চিরে এগিয়ে যেতে থাকে। এ সময় নদীর দুই পাড়ে অবস্থান নেওয়া দর্শনার্থীরা করতালি ও উল্লাসের মাধ্যমে নিজ নিজ পছন্দের নৌকাকে উৎসাহ দিতে থাকেন। পাঁচটি নৌকার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় প্রতিটি নৌকার মাঝিরা বিজয় অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালান। বিশেষ করে প্রতিযোগিতার শেষ মুহূর্তে নৌকাগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়। এতে দর্শকদের মধ্যে টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নৌকাবাইচে চাপুলিয়ার নৌকা প্রথম স্থান অর্জন করে। পানিপাড়ার নৌকা দ্বিতীয় এবং স্বাগতিক চরশালনগরের নৌকা তৃতীয় স্থান অর্জন করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী নৌকার সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে। নৌকা বাইচ আয়োজনের অন্যতম কর্ণধার ইকবাল কাজী বলেন, 'গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিনোদনগুলোর মধ্যে নৌকাবাইচ অন্যতম। বিশেষ করে নদীবেষ্টিত নড়াইল অঞ্চলে নৌকাবাইচের রয়েছে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও সুনাম রয়েছে। এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যমই নয়, বরং গ্রামীণ সংস্কৃতি, সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


