দুর্গাপুজোয় নৈহাটি ও বনগাঁয় বুকস্টলের পুলিশি অনুমতি না মেলায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় বামেরা। দ্রুত শুনানির আবেদন চেয়ে মামলা দায়ের করা হয়। জরুরি মামলার অনুমতি দিলেন না বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। জরুরি মামলার আরজি খারিজ করে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি বলেন, “প্রতি বছর পুজোর সময় এমন স্টল বসানোর সপক্ষে কোনও নথিপত্র আছে কি? তাহলে জরুরি ভিত্তিতে এখনই মামলার অনুমতি দিতে হবে কেন? দুর্গাপূজার আগে এর শুনানি সম্ভব নয়।”
বামেদের মামলাকারী আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, “উদ্যোক্তাদের তরফে প্রতিবছর দুর্গাপুজো আগে এই বুকস্টল করা হয়।” বিচারপতি পরামর্শ দেন, “কালীপুজোর আগে করুন।” বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে শামিম আহমেদকে জানায়, “আদালতের সময় না হলে মামলা ছেড়ে দিক বেঞ্চ। অন্য বেঞ্চে চেষ্টা করবে উদ্যোক্তারা।” বিচারপতি ভট্টাচার্যের বেঞ্চ থেকে মামলাটি সরিয়ে নেওয়ার আর্জি জানানোর পর আদালত জানায়, আগামী ১৩ অক্টোবর আবেদনটি বিবেচনার সময় মামলাটি সরিয়ে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দিনকয়েক আগে দুর্গাপুজোয় বামেদের বুক স্টল দেওয়া নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। বলেছিলেন, “দুর্গাপুজো না লিখলে বামেদের বইয়ের স্টলের অনুমতি মিলবে না।” এই আবহে নৈহাটি-বনগাঁর বুক স্টল নিয়ে আইনি জট কাটল না।
