ডেইলি সিলেট ডট কম :: প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন | ১২:৩৬ অপরাহ্ন
| ০
ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভ ও দাঙ্গার আশঙ্কায় দেশজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে সরকার। গত সপ্তাহে বিক্ষোভের আড়ালে হওয়া ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে শনিবারের কর্মসূচি ঘিরে এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতা ছড়ানোর আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসংখ্যা আগের চেয়ে ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ প্রতিরক্ষা পরিষদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন। চলমান সংকটের কারণে তাঁর আসন্ন নাইজেরিয়া ও সেনেগাল সফর স্থগিত হতে পারে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, আন্দোলনের সূত্রপাতকারী উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তিনি প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছেন। গত সপ্তাহের দাঙ্গার ঘটনায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং ইতিমধ্যে ২১৭ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নতুন বিক্ষোভ ঘিরে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। অর্লেয়ঁ শহরে কট্টর ডানপন্থী নেতা মেরিন লে পেনের দলের সম্মেলন এবং এর বিপরীতে ২০-৩০ হাজার মানুষের পাল্টা বিক্ষোভের সম্ভাবনা থাকায় শহরের কেন্দ্রস্থলে প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে। প্যারিসে মিছিলের নির্দিষ্ট পথ বেঁধে দেওয়ার পাশাপাশি বিখ্যাত লুভর জাদুঘর বন্ধ রাখা হয়েছে। লিয়ঁ শহরেও বিক্ষোভকারীদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
বিক্ষোভ ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে জনঅসন্তোষ এমন এক সময়ে তীব্র হচ্ছে, যখন ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র ছয় মাস বাকি। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় ৩৩ থেকে ৩৫ শতাংশ সমর্থন নিয়ে কট্টর ডানপন্থী নেতা মেরিন লে পেন এগিয়ে রয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি ও নির্বাচনের হিসাবনিকাশ মাখোঁ সরকারের ওপর নতুন রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।
সংবাদটি শেয়ার করুন
- ফেইসবুক
- টুইটার
- গুগল প্লাস
- ইমেইল
সংবাদটি শেয়ার করুন:
