আজকাল ওয়েবডেস্ক: দেশে না থাকলেও, দেশের একাধিক বিষয় নিয়ে ক্রমাগত সোচ্চার হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা। পুজর মুখে ফের সুর চড়ালেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বৃদ্ধির অভিযোগ তুলে আহ্বান জানালেন সম্প্রীতির। দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছেন। সঙ্গেই অভিযোগ, সে দেশে বারেবারে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছেন অপরাধীরা এবং রাজনৈতিক দমন-পীড়ন অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সালের পর থেকেই দেশে এই ঘটনা ক্রমে বেড়েছে বলে হাসিনার অভিযোগ।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়সহ অন্যান্য ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের সমর্থনে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ, মন্দির ও বাড়িঘরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুরের মতো ঘটনাগুলির উল্লেখ করেছেন এবং দেশের এই পরিস্থিতিতে, আওয়ামী লিগের কর্মী সমর্থকদের সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শে বিশ্বাসী নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তাঁরা হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করেন।
সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, হাসিনা বলেছেন, 'ধর্ম একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়, কিন্তু উৎসব সবার।'
এর আগেই হাসিনা জানিয়েছিলেন, তিনি ফিরবেন দেশে, ফিরবে আওয়ামী লিগও। তবে এবার আর ক্ষমতার জন্য নয়, ফিরবেন দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে। হাসিনা বলেন, 'আমি নিজেকে নিয়ে চিন্তিত নই, চিন্তিত বাংলাদেশের জনগণকে নিয়ে। আমি ফিরতে চাই, কারণ নিরাপত্তা, উন্নয়ন, শান্তি বাংলাদেশের মানুষের প্রাপ্য।' সঙ্গেই বলেন, ''আমার এবং আওয়ামী লিগের প্রত্যাবর্তন গণতান্ত্রিক পদ্ধতির কাছে, ক্ষমতার জন্য নয়, ফিরব বাংলাদেশকে সঠিক পথে চালিত করার জন্য। বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে চালিত করতে। আমি বাংলাদেশে ফিরতে চাই কেবল একটিই কারণে। বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাঁদের জীবন যাত্রার উন্নতিতে সাহায্য করতে। আমি তাঁদের বিশ্বাস করি, ভালবাসি, আমি তাঁদের কাছে ফিরব।'
