ব্যাংকের মূল সার্ভার হ্যাক বা সাইবার হামলার শিকার হওয়া সংক্রান্ত যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জনতা ব্যাংক। দুপুুরে ওয়েবসাইট সচলের পর জনতা ব্যাংক তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটসে জানায়, বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপি-তে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা এনিসা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ সতর্কবার্তার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের প্রধান প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাড়তি নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এরই অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে সরকারি ছুটির দিনগুলোতে জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইটটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য সাময়িকভাবে অফলাইনে বা বন্ধ রেখে পুনরায় চালু করা হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাইবার হামলার শিকার হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়, ওয়েবসাইটের অন্তত দুটি স্থানে স্প্যাম শনাক্ত করা হয়েছে।
রবিবার বেলা ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত সাইটটি ডাউন পাওয়া যায়। ব্যাংকটির আইটি বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে বিডিনিউজ জানায়, ওয়েবসাইটে দুটি সাইবার হামলার আলামত পাওয়া গেছে। আশা করা হচ্ছে, দিনের শেষ নাগাদ ওয়েবসাইটটি সচল করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বাংলাভিশনকে জানান, জনতা ব্যাংকের সাইট সাইবার হামলার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে কোনো তথ্য নেই।
এর আগে, বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গত বৃহস্পতিবার জনতা ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়। বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত হওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে এ ধরনের সতর্কতা দেওয়া হয়েছিল।
