রাত পোহালেই লক্ষ্মী পুজো। ঘরে ঘরে শুরু হবে মা লক্ষ্মীর আরাধনা। সঞ্চালক এবং অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের শ্বশুর বাড়ির দুর্গাপুজো ঘিরে রয়েছে নানা অলৌকিক ঘটনা। প্রতি বছর খুব নিষ্ঠার সঙ্গে হয়ে থাকে দুর্গাপুজো। এই বছরও তার অন্যথা হয়নি। এবার লক্ষী পুজোর পালা। লক্ষী পুজো নিয়েও এই বাড়িতে রয়েছে কিছু বিশেষ রীতিনীতি। আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে সে সব কথা ভাগ করে নিলেন সুদীপা।
সুদীপার বাড়িতে লক্ষ্মীর পুজো হয় সীতা রূপে। রয়েছে রূপোর মূর্তি। রয়েছে বিধিনিষেধও। পরিবারের নিয়ম অনুযায়ী এই মূর্তি দেখার অনুমতি কারও খুব একটা নেই। তাই এই ঠাকুরের ছবি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিতে পারেন চট্টোপাধ্যায় বাড়ির বউ।
নিয়ম অনুযায়ী, এক চরা ভোগ রান্না হয় ভোগে এক ফুটে। দ্বিতীয় বার রান্না করলে তা ভোগে দেওয়া যায় না। হাঁড়িতে চাল, ডাল, সব্জি, সর্ষের তেল, মশলা সব একবারে দিয়ে রান্না বসানো হয়। সব ফুটে গেলে নামিয়ে নেওয়া হয়।
আকাশে যখন কোজাগরী পূর্ণিমার চাঁদ ওঠে তখন চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে লক্ষ্মী পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়। এমন কি নারকেল নাড়ু পর্যন্ত আগে থেকে বানিয়ে রাখা হয় না। চাঁদ ওঠার আগে তৈরি সব জিনিসকে বাসি বলে ধরা হয় ওই বাড়িতে, আর বাসি খাবার কি দেবীকে দেওয়া যায়?
মা দুর্গাকে কন্যারূপে পুজো করেন সুদীপা। লক্ষ্মীর ক্ষেত্রেও অন্যথা নয়। সুদীপার কথায়, 'যত্ন করে ভালবেসে এই পুজো করা হয়। মা যেমন আমাদের মেয়ে, আমাদের পরিবারকেও ভালবেসে আগলে রেখেছেন তিনি।"
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।
