ঢাকের বোল, শঙ্খধ্বনি আর ভক্তদের অশ্রুতে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা। বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব। উৎসবের সমাপ্তিতে ভক্তদের প্রার্থনায় উঠে এসেছে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব আর সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যাশা। পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে আনন্দিত বিদেশি অতিথিরাও।
এভাবেই অশ্রুসিক্ত নয়নে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান উমা সাহা। বিদায় বেলায় দেবীর কাছে তার প্রার্থনা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অটুট থাকুক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। সব বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ।
গুলশান বনানী সার্বজনীন পূজা কমিটির আহ্বায়ক উমা সাহা বলেন, ‘আজ থেকে আমাদের বুকটা হালকা হয়ে যাবে। মায়ের কাছে একটাই প্রার্থনা– যেন দেশবাসী, আত্মীয়–স্বজন, বন্ধু–বান্ধব সবাইকে নিয়ে আগামী বছর এভাবেই যেন মায়ের পূজা করতে পারি।’
বিজয়া দশমীতে ঢাকের বোল, শঙ্খধ্বনি আর ভক্তদের প্রার্থনায় মুখর ছিল বনানী পূজামণ্ডপ। আনন্দ-উৎসবের সেই আবহ পেরিয়ে মর্ত্য ছেড়ে কৈলাশে রওয়ানা হলেন দেবী দুর্গা। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বিদায়বেলায় ভক্তদের কণ্ঠে তাই নানা প্রত্যাশা।
এক শিশু পূজার্থী বলছিল, ‘যাতে সবাই ভালো থাকে। যাতে সবাই সুস্থ থাকে। যাতে পরেরবার এভাবে পূজা করা যায়।’
পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে আনন্দিত বিদেশি অতিথিরাও।
সিঁথির সিদুর দীর্ঘস্থায়ী হোক, সমৃদ্ধ হোক সংসার, কল্যানময়ী হোক রাষ্ট্র, এমন প্রত্যাশা সনাতনীদের।