দেড় মাস মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান
মোহাম্মদ রিদুয়ান হাফিজ, চকরিয়া প্রতিনিধি
কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার ঢেমুশিয়া জলমহালে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া ও মাতামুহুরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার।
জলমহালে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জেলেসহ সাধারণ মানুষের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, চকরিয়া ও মাতামুহুরি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল আমিন, কক্সবাজার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ও মাতামুহুরি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ইউছুপ বদরী, পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুজিবুল হক, মাতামুহুরি উপজেলা বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢেমুশিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঢেমুশিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ রিদুয়ান হাফিজ, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. সাইরাস চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক রিদুয়ানুল হোছাইন হিরু, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শামসুল ইসলাম শামীম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. রমিজ উদ্দিন এবং ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ফজল করিম ও নুরুল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
দেড় মাস মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলমহালে অবমুক্ত করা পোনামাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সবাইকে অন্তত দেড় মাস মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে হবে। পোনামাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পেলে জলমহালে মাছের উৎপাদন বাড়বে। এতে স্থানীয় মানুষ পরবর্তী সময়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন এবং জলমহালের মৎস্যসম্পদ দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।
তাঁরা আরও বলেন, জলমহালের মাছ রক্ষা করা শুধু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নয়; এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে জলমহালটি স্থানীয় মানুষের জীবিকার অন্যতম উৎস হয়ে উঠতে পারে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর উন্মুক্ত ঢেমুশিয়া জলমহাল
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর ঢেমুশিয়া জলমহালটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উদ্যোগে জলমহালটি উন্মুক্ত হওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
জলমহালটি উন্মুক্ত হওয়ায় স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছ আহরণের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি পোনামাছ অবমুক্তকরণের ফলে জলমহালে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রামনিউজ/ এসডি/
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল চট্টগ্রামনিউজ.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, মতামত, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি । আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।
