পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) কুষ্টিয়া জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘আরশিনগর’ কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নতুন আংশিক কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আগামী ছয় মাসের জন্য গঠিত এ কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল (ইইই) বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাইফুল ইসলাম খান রঙ্গন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা (ইউআরপি) বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসনাত আল সাদিক।
সংগঠনটির উপদেষ্টাদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন আয়েশা তুল মিম, মো. শাহেদ ইকবাল, মোছা. সুমাইয়া আফরিন, মো. শাহরিয়া জামান, মোছা. খালেদা খাতুন, মো. রানা বিশ্বাস, নাফিসা তাসনিম, মো. শান্ত ইসলাম, মো. রবিন আহমেদ ও মো. নাভিদ হাসান রাফি। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. ইমন হোসেন।
এছাড়া কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাইশা সাদাফ সুহি, দপ্তর সম্পাদক স্বপ্নময় বিশ্বাস, উপদপ্তর সম্পাদক এ কে এম মেহরাব মাহমুদ, কোষাধ্যক্ষ রুদ্র জয় মৈত্র, উপকোষাধ্যক্ষ মো. মাহফুজুর রহমান, প্রচার সম্পাদক জিলহাজুল রহমান সিফাত, উপপ্রচার সম্পাদক মো. রানা হোসেন, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক মো. রাতুল হাসান, উপক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম, সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. ইয়াসিন আহনাফ, উপসাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. তৌকির তাহমিদ তুহিন এবং কার্যকরী সদস্য হয়েছেন মো. ইউলাদ হোসেন।
নতুন কমিটির সভাপতি তাইফুল ইসলাম খান রঙ্গন বলেন, “কুষ্টিয়ার প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাশে থাকা, তাদের একাডেমিক ও পেশাগত উন্নয়নে সহযোগিতা করা এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করাই আমাদের লক্ষ্য। একতা, সহযোগিতা, দক্ষতা ও মানবিকতার মাধ্যমে সমিতিকে একটি সক্রিয়, আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠনে পরিণত করতে চাই। কমিটির মেয়াদ শেষে শিক্ষার্থীরা যেন বলতে পারেন, এই কমিটি তাঁদের জন্য বাস্তবেই কিছু করেছে।”
সাধারণ সম্পাদক হাসনাত আল সাদিক বলেন, “কুষ্টিয়ার শিক্ষার্থীদের প্রাণের সংগঠন ‘আরশিনগর’কে নতুন উদ্যমে ও গতিশীলভাবে এগিয়ে নিতে চাই। দীর্ঘদিন সমিতিটি কিছুটা নিষ্ক্রিয় থাকলেও, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একে কার্যকর ও শিক্ষার্থীবান্ধব প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।”
তিনি আরও বলেন, কুষ্টিয়ার শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি তাঁদের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো, নিয়মিত নবীনবরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন, সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসার, ক্যারিয়ার গাইডলাইন এবং জরুরি সহায়তা সেল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। কুষ্টিয়ার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধারণ করে সমিতিকে ক্যাম্পাসের একটি আস্থার ঠিকানা হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কুষ্টিয়ার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতা ও পরামর্শও কামনা করেন তিনি।
