ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতা, গ্রেপ্তার ১৮০০
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ফ্রান্সে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ দোকান ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফরাসি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল দেশজুড়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ রাস্তায় নামে। এ সময় অন্তত ১ হাজার ৮০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দেশটির খুচরা ব্যবসায়ী ও বাণিজ্য ফেডারেশনের প্রধান জানিয়েছেন, বিক্ষোভের সময় ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর অনেকগুলোতে লুটপাট চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ মিছিলের আশপাশে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় ১ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৭ অক্টোবরের বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিরোধী দল ও কয়েকটি শহরের মেয়রদের সমালোচনার মুখে পড়েছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, ‘ফ্রান্স জ্বলছে’। অভিবাসনের কারণে দেশটি ‘বিধ্বস্ত’ হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় এলিসি প্রাসাদে মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর। পরে রাত ৮টায় জাতির উদ্দেশে আনুষ্ঠানিক ভাষণ দেবেন তিনি বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের দপ্তর।
আরও পড়ুন
সূত্র: ফ্রান্স২৪
এএফ/
আরও পড়ুন
তিউনিসিয়ায় প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->শাসনব্যবস্থার জন্য এক ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের মুখে, রাজধানী তিউনিসে হাজার হাজার তিউনিসীয় নাগরিক প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের বিরুদ্ধে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) আন্দোলনে তার বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার এবং দেশের অর্থনীতি পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা ।
প্রধান শ্রমিক ইউনিয়ন 'ইউজিটিটি' এবং বিভিন্ন সুশীল সমাজের নেতৃত্বাধীন এই বিক্ষোভটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন তিউনিসিয়া মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকট, জনসেবার অবক্ষয়, বারবার পানি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তীব্র ঘাটতির সঙ্গে লড়াই করছে।
আরও পড়ুন
প্রেসিডেন্ট সাঈদ ২০২১ এবং ২০২২ সালে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে, বহু বিচারককে বরখাস্ত করে এবং অধ্যাদেশ জারি করে দেশ পরিচালনার মাধ্যমে একক ক্ষমতা দখল করেন যে পদক্ষেপগুলোকে তার বিরোধীরা অভ্যুত্থান বলে আখ্যায়িত করেছেন।
অধিকার রক্ষা সংস্থাগুলোর মতে, তিনি সুশীল সমাজ, সাংবাদিক এবং বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ওপর দমন-পীড়ন তীব্রতর করেছেন। তবে সাঈদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন যে তিনি কোনো স্বৈরাচারী নন। উল্টো তিনি অভিযোগ করেছেন, সামাজিক অসন্তোষ উসকে দিতে বিরোধীরা কৃত্রিম অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করছে।
আরও পড়ুন
রাজনৈতিক ঐক্যের এক বিরল দৃশ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরোধী দলগুলো আইনজীবী, ডাক্তার, সাংবাদিক, বেকার যুবক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে হাবিব বোরগুইবা অ্যাভিনিউতে পদযাত্রা করেন। ২০১১ সালের যে বিপ্লব আরব বসন্ত উসকে দিয়েছিল, এই সড়কটি ছিল তার মূল কেন্দ্রবিন্দু। বিরোধী দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে গত কয়েক বছর ধরে বড় জমায়েত করা সম্ভব হচ্ছিল না। সে জায়গায় এই সাম্প্রতিক প্রতিবাদ সাঈদের ক্ষমতার জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সমাবেশে ইউজিটিটি-এর প্রধান সালাহ এদ্দিন সালমি বলেন, ‘নীরবতা আর গ্রহণযোগ্য নয়। সব ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত করে রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায় না।’
বিক্ষোভ সামাল দিতে রাজধানীজুড়ে শত শত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘কোনো ভয় নেই, ক্ষমতার মালিক জনগণ!’ এবং ‘কারাগারগুলো কানায় কানায় পূর্ণ, দেশের মানুষ ক্ষুধার্থ!’ তারা ২০১১ সালের বিপ্লবের সেই আইকনিক স্লোগানটিও আবার মুখে ফিরিয়ে আনেন, ‘জনগণ এই স্বৈরাচারী শাসনের পতন চায়!’
তারা সাঈদের সমালোচকদের মুক্তি দাবি করেন এবং ট্রেড ইউনিয়ন বা শ্রমিক অধিকারের ওপর হামলা বন্ধের আহ্বান জানান। কেউ কেউ বেকারত্ব এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যানার বহন করছিলেন।
স্ফ্যাক্স শহর থেকে আগত ইয়াসিন ঘারসেলি নামে এক আন্দোলনকারী বলেন, ‘অনেক হয়েছে, আর নয়! দেশ ধ্বংসের মুখে। আমরা একের পর এক বিদ্যুৎ ও পানি বিভ্রাট এবং সংকটে ভুগছি।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি স্ফ্যাক্স থেকে আমার স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়াতে এসেছি। আমি কখনোই হাল ছাড়ব না। এমনকি যদি আমাকে এই দেশের শেষ প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরও হতে হয়।’ সূত্র: রয়টার্স
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
ইউরোপকে নিজের পার্সোনাল এটিএম মনে করছেন জেলেনস্কি: ইইউ এমপি
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৭ এএম
ভলোদিমির জেলেনস্কি। ছবি: সংগৃহীত
-->ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউরোপকে নিজের এটিএম হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইতালীয় দূর-ডানপন্থি ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য রবার্ট ভানাসি। ইউক্রেনের জন্য নতুন করে আরও ৭ হাজার কোটি ইউরো সহায়তা চাওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
২০২৭ সাল পর্যন্ত ইউক্রেনকে সহায়তা করার জন্য ইইউ কর্তৃক ৯০ হাজার কোটি ইউরোর এক বিশাল ঋণ অনুমোদনের মাত্র কয়েক মাস পর, গত শুক্রবার জেলেনস্কি আবারও অতিরিক্ত অর্থের দাবি জানান।
ব্রাসেলসে আয়োজিত ইইউ শীর্ষ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আগামী বছর যুদ্ধের জন্য ১৫ হাজার ৫০০ কোটি ইউরো খরচ হবে। আর আমাদের প্রতিরক্ষা, অস্ত্র এবং সক্ষমতা বজায় রাখার জন্য আপনাদের কাছ থেকে অন্তত আরও ৭ হাজার কোটি ইউরো প্রয়োজন। এটি একটি বাস্তবসম্মত পরিমাণ।’
আরও পড়ুন
ইতালীয় ইইউ এমপি ভানাসি বলেন, ‘কিয়েভকে আরও সহায়তা দেওয়ার জন্য ইতালীয় করদাতাদের ওপর এই খরচের বোঝা চাপানো উচিত নয়।’
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ভানাসি বলেন, ‘জেলেনস্কি এমন কিছু বোকা লোক খুঁজে পেয়েছেন যারা তার চাওয়া সব কোটি কোটি ইউরো দিয়ে দিচ্ছে, আর তাই তিনি ক্রমাগত আরও চেয়েই যাচ্ছেন।’
আরও পড়ুন
তিনি যুক্তি দেখান যে জেলেনস্কির দাবির পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালে কিয়েভের ২৭ হাজার কোটি ইউরো এবং ২০২৭ সালে ৩২ হাজার কোটি ইউরোর বাজেট ঘাটতির কথা বলা হয়েছিল। আর গত এপ্রিলে অনুমোদিত ৯০ হাজার কোটি ইউরো ঋণের ওপর এখন আবার নতুন করে আরও ৭ হাজার কোটি ইউরোর দাবি তোলা হয়েছে।
এদিকে স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো প্রস্তাবিত এই অর্থায়নের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ইউক্রেনের জন্য ইইউ-এর তৈরি কোনো নতুন আর্থিক কাঠামোতে ব্র্যাটিস্লাভা (স্লোভাকিয়া) অংশগ্রহণ করবে না।’
স্লোভাক বার্তা সংস্থা 'TASR'-এর শুক্রবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী ফিকো জানান, হাঙ্গেরিও একই অবস্থান গ্রহণ করেছে।
ইউক্রেনের জন্য গত বছরের শেষের দিকে সম্মত হওয়া এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে চূড়ান্ত করা ৯০ হাজার কোটি ইউরো ঋণের আর্থিক দায়বদ্ধতা থেকে স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি এবং চেক প্রজাতন্ত্র ছাড় পেয়েছিল। ফিকো যুক্তি দেন যে, এই ঋণটি ভবিষ্যতে রাশিয়ার কাছ থেকে পাওয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ দিয়ে পরিশোধ করার কথা বলা হলেও, এটি মূলত এমন একটি উপহার যা ইইউ সদস্যরা আর কখনোই ফেরত পাবে না।
অন্যদিকে মস্কো দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে যে, পশ্চিমাদের সামরিক সহায়তা কেবল ইউরোপীয় করদাতাদের ওপর আর্থিক বোঝা বাড়ায় এবং সংঘাতকে আরও দীর্ঘায়িত করে। রাশিয়া এই সংঘাতকে ইউক্রেনীয় জনবলকে ব্যবহার করে চালানো ন্যাটো-নেতৃত্বাধীন একটি প্রক্সি যুদ্ধ বা পরোক্ষ যুদ্ধ হিসেবে দেখে। সূত্র: আরটি
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
সৌদি আরবে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সৌদি আরবের নাজরান অঞ্চলে একটি সামরিক পর্যবেক্ষণকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চালকদলের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কারিগরি ত্রুটির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন
বিবৃতিতে জানানো হয়, সৌদি ন্যাশনাল গার্ডের মালিকানাধীন হেলিকপ্টারটি নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় নাজরান অঞ্চলে ন্যাশনাল গার্ড মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি এলাকায় হঠাৎ কারিগরি ত্রুটির মুখে পড়ে এবং আছড়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই হেলিকপ্টারে থাকা ক্রু দলের দুই সদস্যের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে। সূত্র: এনডিটিভি
আরও পড়ুন
তামান্না/
আরও পড়ুন
সংঘর্ষে পুড়ে ছাই ফ্রান্সের ঐতিহাসিক লিমোগেস টাউন হল
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ এএম
ফ্রান্সের ঐতিহাসিক লিমোগেস টাউন। ছবি: সংগৃহীত
-->জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে আয়োজিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও সহিংস সংঘর্ষের সময় দুই বিশ্বযুদ্ধ পার করা ঐতিহাসিক লিমোগেস টাউন হল ভবনটি ভস্মীভূত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন এবং ভয়াবহ সংঘর্ষের কারণে প্রায় ১৪০ বছরের পুরনো এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি এখন প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্যারিসসহ ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে সাধারণ মানুষ। তবে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আড়ালে মুখোশধারী কিছু দাঙ্গাবাজ লিমোগেস শহরের এই টাউন হলে হামলা চালায়।
ভবনের ভেতরে আগুন ধরিয়ে দিলে তা দ্রুত পুরো ছাদের অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে ছাদসহ ভবনের বড় একটি অংশ ধসে পড়ে। ১৮৭৩ সালে নির্মিত এবং ১৮৮৩ সালে উদ্বোধন হওয়া এই ঐতিহ্যবাহী ভবনটি দুটি বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পেরিয়ে টিকে থাকলেও বর্তমানের অভ্যন্তরীণ সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের হাত থেকে রক্ষা পায়নি।
আরও পড়ুন
লিমোগেস ছাড়াও প্যারিস, মার্সেই, বোর্দো, লিঁও এবং লিলের মতো বড় শহরগুলোতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে আতশবাজি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে, যার জবাবে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এই সহিংসতা ও লুটের ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রায় ৪০০ জনকে আটক করা হয়েছে।
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু এই চরম মাত্রার সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন তার প্রশংসা করেছেন। সূত্র: এনডিটিভি
আরও পড়ুন
আজহার/
