মোবাইল কোর্টে ১০ জনের সাজা
কক্সবাজারে ছিনতাইকারীসহ গ্রেপ্তার ১৩, ইয়াবা উদ্ধার
কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, পর্যটন নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ছিনতাই ও মাদকমুক্ত রাখতে এমন বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ।
অভিযানে ছিনতাইকারী, মাদক কারবারি, সেবনকারী ও ধর্তব্য অপরাধে জড়িত মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে আরও ১০ জনকে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোনারপাড়া ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ১১০ পিস ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেলসহ শেখ আহম্মদ (৫৬) ও মো. ইব্রাহিম আবিদ (২৬) নামে দুই চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া মহেশখালীর হোয়ানক এলাকার বাসিন্দা ও বর্তমানে খুরুশকুলে অবস্থানরত চিহ্নিত ছিনতাইকারী নিশান দে (২২)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিশান দে’র বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের লামা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে।
অভিযানে পৌরসভা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭ জন মাদক সেবনকারী এবং ধর্তব্য অপরাধে জড়িত ৩ জনসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ১৩ অক্টোবর রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পৌরসভার গোলদীঘির পাড়স্থ ছোট খিয়াং জাদি ঘোনার পাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে ১০ জন মাদকসেবীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে কক্সবাজার সদরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনারের পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রনজিত রুদ্র, সুনিল দে, আকাশ দে, মো. আল আমিন, আজিজুল হক পুতু, সুজিত চক্রবর্তী, মো. রফিক, রাজিব দে, মো. শফি এবং মং মারমা।
কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, পর্যটন নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ছিনতাই ও মাদকমুক্ত রাখতে এমন বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
