দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত দলের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি, ২৮টি মোবাইল ফোন, চারটি ল্যাপটপ, তিনটি ট্যাব, নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জেলা গোয়েন্দা শাখার প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১২ অক্টোবর রাত ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২টা ৪০ মিনিটের মধ্যে নবাবগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর মোড় থেকে ভাদুরিয়াগামী সড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যানসহ তিন থেকে চারটি যানবাহনের চালক, সহকারী ও যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর করেন। পরে তাঁদের কাছ থেকে আনুমানিক ১২ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যান।
ঘটনার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন সময়ে লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২৮টি মোবাইল ফোন, চারটি ল্যাপটপ, একটি কম্পিউটার মনিটর, তিনটি ট্যাব, তিনটি মোবাইল ফোনের বক্স, চারটি ওষুধের কার্টন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, মো. শাকিল সরকার (২৬), মো. রকুল আমিন (৩৫), মো. রাশেদ মিয়া (৩০), মো. রবিউল প্রধান (৩৫), মো. সাজ্জু মিয়া (৫৩), মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে চেয়ারম্যান (৪২), মো. শাহিন মিয়া (৩০) ও মো. মিরাজ মিয়া (২৬)। তাঁদের বাড়ি গাইবান্ধা ও রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীরের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি ও দস্যুতার মামলা রয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
যে আই
