

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে মাদারীপুরের রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডির সাইবার পুলিশ ইউনিটের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই কর্মকর্তা জানান, তদন্তকারীরা প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় সোহাগ ফকিরের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন। রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি আরও জানান, সোহাগ ফকিরকে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান
পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে আনা পারমাণবিক জ্বালানি ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৫ মিনিটে পারমাণবিক জ্বালানিবাহী গাড়িটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসান। চালানটি প্রকল্প এলাকায় পৌঁছালে সেখানে কর্মরত বাংলাদেশি ও রুশ কর্মকর্তারা সেটিকে স্বাগত জানান। কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তেজস্ক্রিয় এই পারমাণবিক জ্বালানি প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হয়। এর আগে গত ২ অক্টোবর শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাশিয়া থেকে ভারত হয়ে বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজে প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত ইউরেনিয়ামের চালান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে চালানটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নেওয়া হয়। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা। এ সময় মোট নয়টি ফ্লাইটে প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম ফুয়েল অ্যাসেম্বলি দেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে কেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রিডে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

৭ নভেম্বর শনিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা
প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিধি-৬ শাখা থেকে সম্প্রতি ছুটি ঘোষণা করে উপসচিব ওয়ালীউল দামান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। এর আগে ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে ৭ নভেম্বরকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দিনটি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটি কাটাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি আগামী ২৪ অক্টোবর (শনিবার) পর্যন্ত ছুটির পর ২৫ অক্টোবর (রবিবার) থেকে অফিসের কার্যক্রম নিয়মিত চলবে।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার অতিরিক্ত সচিব ইউসুফ আলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে মন্ত্রণালয় সংযুক্ত করা হয়েছে। বদলির আদেশ জারির পর গতকাল মঙ্গলবারই (২০ অক্টোবর) রাজশাহী ছেড়েছেন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊনি-১ শাখার উপসচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক এক আদেশে তাকে বদলি করা হয়। বদলি আদেশ পাওয়ার পর মঙ্গলবারই রাজশাহী ছেড়েছেন বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী। আর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে রেজাউল আলম সরকারকে। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী ফ্লাইট। জনসভা শেষে রাত ৭টায় তিনি একই বিমানে রাজশাহী ত্যাগ করেন। বিমানবন্দরে বিদায় জানানোর সময় বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী প্রটোকল ভেঙে হাত মেলানোর সময় প্রধানমন্ত্রীর দিকে ঝুঁকে কিছুটা এগিয়ে আসেন। এ ঘটনার পরেই তাকে মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়।

যমুনা সেতু ও এলেঙ্গা ফ্লাইওভারের কাজ দ্রুত শেষ করতে সেতু সচিবের তাগিদ
শারদীয় দুর্গাপূজা ও আগামী ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে যমুনা সেতু ও সংযোগ সড়কের চলমান উন্নয়নকাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ। আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই যমুনা সেতুর রেললাইনের অংশে সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শেষ করার পাশাপাশি সেতুর পট বেয়ারিং পরিবর্তন এবং অন্যান্য নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) যমুনা সেতু এলাকা এবং সাসেক-২ প্রকল্পের আওতায় এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজের প্যাকেজ-৫-এর বিভিন্ন অংশ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে সেতু বিভাগের সচিব যমুনা সেতুর পট বেয়ারিং পরিবর্তন ও রেললাইনের অংশে সড়ক প্রশস্তকরণের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পট বেয়ারিং পরিবর্তনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায় আগামী ঈদুল ফিতর-২০২৭-এর যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ঈদের আগেই সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দেন। এ সময় তিনি বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুত ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র আওতায় যমুনা সেতু এলাকায় রোপণ করা চারাগুলো পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া সেতু এলাকায় নির্মাণাধীন মিউজিয়াম ভবনের কাজের অগ্রগতিও ঘুরে দেখেন। নির্মাণকাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ে ভবনটির কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেন তিনি। সাসেক-২ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন এলেঙ্গা ফ্লাইওভার পরিদর্শনকালে কাজের গুণগত মানে সন্তোষ প্রকাশ করেন সেতু বিভাগের সচিব। তবে নির্মাণকাজের গতি ধীর হওয়ায় দ্রুত কাজ এগিয়ে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেন তিনি। এলেঙ্গা-যমুনা সেতু সড়কের প্যাকেজ-৫-এর আওতায় সল্লা বাজার এলাকায় ওভারপাস নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মোহাম্মদ আবদুর রউফ। পরিদর্শনে দেখা যায়, ওই এলাকার সড়কের দুই পাশে সংযোগ সড়ক, রেলক্রসিং, হাটবাজার, ঈদগাহ মাঠ, মাদ্রাসা, প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয় এবং কৃষিজমি রয়েছে। এসব স্থানে যাতায়াতের প্রয়োজনে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায়ই হালকা ও ভারী যানবাহনে সড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে চলাচল করতে হয়। এ অবস্থায় সল্লা বাজার এলাকায় ওভারপাস নির্মাণের যৌক্তিকতা বিবেচনা করে সেতু বিভাগের সচিব তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় সাসেক-২ প্রকল্পের আওতায় ওই স্থানে ওভারপাস নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, সল্লা বাজার এলাকায় ওভারপাস নির্মাণের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধন করেছেন। ওভারপাস নির্মাণসংক্রান্ত জটিলতার কারণে সংশ্লিষ্ট অংশে সড়ক নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে যমুনা সেতুর অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন সেতু বিভাগের সচিব। এ সময় যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও সেতু এলাকায় উল্লেখযোগ্য যানজট না থাকায় তিনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। যাত্রীদের স্বস্তিদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে যমুনা সেতুর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি। পরিদর্শনকালে সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম মর্তুজা, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও সাসেক-২ প্রকল্পের কর্মকর্তারা এবং ঠিকাদারি ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী
তীব্র আর্থিক সংকট ও ঋণের বোঝায় দিশেহারা হয়ে নিজের গর্ভের সন্তানকে অন্য একটি ভালো পরিবারের কাছে তুলে দেওয়ার কথা ভাবছিলেন ২৪ বছর বয়সী মোসা. আঁখি। যে সময়ে অনাগত সন্তানকে ঘিরে একজন মায়ের আনন্দ আর স্বপ্নে বিভোর থাকার কথা, সে সময় সংসারের অভাব-অনটন ও ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা তাকে ঠেলে দিয়েছিল এক কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে। ঢাকার মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডে প্ল্যাকার্ড হাতে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তৃতীয়বারের মতো মা হতে যাওয়া আঁখি। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘আমি গর্ভের সন্তানটি দান করতে চাই, ভালো একটি পরিবারে। আমি অসহায়, আমাকে সাহায্য করুন।’ তাঁর এই আকুতি ছিল চরম অসহায়ত্বের বহিঃপ্রকাশ। আঁখির দুরবস্থার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিবেচনা করে আঁখি ও তাঁর পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর দ্রুত আঁখি ও তার পরিবারের সন্ধান করা হয়। মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আঁখির স্বামীই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তবে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে স্বাভাবিকভাবে সংসারের ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বামীর চিকিৎসা ও পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে গিয়ে ঋণের বোঝা ক্রমেই বেড়েছে। সেই ঋণ পরিশোধের অসহায় চেষ্টা থেকেই গর্ভের সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার মতো হৃদয়বিদারক সিদ্ধান্তের কথা ভাবতে বাধ্য হন আঁখি। পরিবারটির আর্থিক সংকট ও দুরবস্থার কথা জানার পর তাদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই ধারাবাহিকতায় গত রোববার আঁখি ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডাকা হয়। সেখানে পরিবারের হাতে এক লাখ টাকার একটি চেক তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আঁখির সন্তান প্রসবের যাবতীয় খরচ বহন এবং পরিবারের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করারও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।


